Wednesday, 2 January 2013

সীমান্তে গুলির পক্ষে সাফাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

Wed, Jan 2nd, 2013 6:58 pm BdST

ঢাকা, জানুয়ারি ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ‘আত্মরক্ষার প্রয়োজনে’ দুই দেশের সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের গুলি ছোড়ার অনুমতি দেয়ার বিষয়ে নয়া দিল্লির সঙ্গে একমত হয়ে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর।

নতুন বছরের প্রথম দুই দিনে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর গুলিতে চার বাংলাদেশির প্রাণ হারানোর পর বুধবার সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, কেবল ‘আত্মরক্ষার প্রয়োজনে’ দুই সীমান্ত বাহিনীকে গুলি করার বিষয়ে নীতিগতভাবে মতৈক্য হয়েছে।

“গত মাসে ভারতে গিয়ে সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে একমত হয়েছি।”

তিনি একইসঙ্গে বলেন, “কোনো পক্ষ থেকেই গুলি চালাবে না, যদি না আত্মরক্ষার প্রয়োজন হয়।”

বিএসএফের গুলিতে মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে দুজন এবং বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে দুজন নিহত হন।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে ২০১২ সালে ৪৮ জন বাংলাদেশি নিহত হন বলে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাব।

সীমান্তে নতুন বছরের শুরুতে চার বাংলাদেশির নিহত হওয়ার বিষয়টি তদন্ত হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “তদন্ত করে যদি দেখা যায়, সীমান্তরক্ষীরা আত্মরক্ষার জন্য গুলি করতে বাধ্য হয়েছে, তা হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

“আর যদি দেখা যায় আত্মরক্ষা নয়, ভিন্নতর কোনো কারণে কিংবা অসাবধানবশত বা ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তাহলে আমরা যে পদ্ধতিতে দুই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক রক্ষা করে চলেছি, সেই পদ্ধতিতেই এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য তাদের নজরে আনব এবং আমাদের তরফ থেকেও ব্যবস্থা নেব।”

বুধবার দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে অধিদপ্তরের ২৩তম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন মন্ত্রী।

সীমান্তে হত্যাকাণ্ড নিয়ে শুধু দেশেরই নয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখেও রয়েছে বিএসএফ।

ঢাকার পক্ষ থেকে বারবার প্রতিবাদ জানানোর পর সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয় নয়া দিল্লি। তবে হত্যাকাণ্ড থামেনি।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র গত ৩১ ডিসেম্বর এক পরিসংখ্যানে জানায়, ২০১২ সালে সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ৩১৯টি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ১৫৫টি।

২০১২ সালে ৪৮ জন নিহত হওয়া ছাড়াও ১০৬ জন আহত এবং ১৪০ জন অপহৃত হন বলে মানবাধিকার সংগঠনটি জানায়।

বিদায়ী বছরে গুলি ছোড়ার পাশাপাশি হাতবোমা নিক্ষেপ, ঘরে ঢুকে নির্যাতন, গাছে ঝুলিয়ে পেটানো, বেয়নেটে খুঁচিয়ে জখম, হাত-পা ভেঙে দেয়া, উলঙ্গ করে পেটানো, কুপিয়ে হত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়ে বিএসএফ নির্যাতনের নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের মূল্যায়ন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব সি কিউ কে মুসতাক আহমেদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইকবালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অধিদপ্তর কার্যালয়ে আলোচনা সভা, জনসচেতনামূলক মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এবং মাদক সনাক্তকরণ পদ্ধতি প্রদর্শন করা হয়।

এছাড়া পোস্টার-লিফলেট বিতরন, ভ্রাম্যমাণ মাদকবিরোধী সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাও করা হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এলএইচ/এমআই/১৮৫৫ ঘ. 

http://bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=215351&hb=1 

গোমস্তাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ২

Wed, Jan 2nd, 2013 1:57 pm BdST

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জানুয়ারি ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

বুধবার ভোর রাত ৩টার দিকে উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের বিভিষণ সীমান্তে ভারতের মালদহ জেলার সীমান্তবর্তী পিলাসন গ্রামে তাদের গুলি করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।

নিহতরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিসন গ্রামের আফসার উদ্দীনের ছেলে মাসুদ (২৩) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর সাহাপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে শহীদুল ইসলাম(২৮)।

‍নওগাঁ ৪৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর শরিফ মাহমুদ হাসান জানান, পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ৩১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পিলাসন ক্যাম্পের জওয়ানরা সীমান্ত পিলার থেকে দেড়শ’ গজ দূরে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে।

বিজিবির পক্ষ থেকে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা।

সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা বন্ধে ঢাকার পক্ষ থেকে একাধিকবার আহ্বান জানানো হয়েছে। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। এ ব্যাপারে নয়া দিল্লির প্রতিশ্রুতি মিললেও তা বন্ধ হয়নি।

সীমান্তে নিহত বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ গরু ব্যবসায়ী, যারা গরু আনতে ভারতে গিয়ে বিএসএফের গুলির শিকার হন। মঙ্গলবারও ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।

বিএসএফের প্রধান ইউ কে বানসাল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সীমান্ত দিয়ে গরু বাণিজ্য বৈধ করার পক্ষে মত প্রকাশ করেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এসএনএল/এএইচ/জেকে/১৩৫৩ ঘ.

http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=215315&cid=2 

দুই বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে বিএসএফ

Wed, Jan 2nd, 2013 7:18 pm BdST

জয়পুরহাট, জানুয়ারি ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- শূন্য রেখা পর হওয়ার অভিযোগে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ।

বুধবার বিকাল ৪টার দিকে পাঁচবিবি উপজেলার হাটখোলা বিওপির ২৮১ নম্বর মেইন পিলারের ২১ সাব পিলারের কাছ থেকে হাবিল হোসেন (২২) এবং মজু মিয়াকে (৪০) নিয়ে যায়।

জয়পুরহাট বিজিবি-৩ এর কমান্ডার লে. কর্নেল সাব্বির আলী খসরু বলেন, কৃষি কাজের জন্য তারা সীমান্তের শূন্যরেখা পার হলে বিএসএফ আটক করে নিয়ে যায়।

তাদের বাড়ি উপজেলার পূর্ব ঊষা গ্রামে। হাবিল ওই গ্রামের বাকির আলীর এবং মজু দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে।

বিজিবি কর্মকর্তা আরো বলেন, তাদের ফেরত দেওয়ার জন্য বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। তবে বিএসএফ এখনো এর জবাব দেয়নি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এমএস/ডিডি/১৯১৪ ঘ.

http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=215353&cid=2

Tuesday, 1 January 2013

বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত


ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি | তারিখ: ০১-০১-২০১৩
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বুজরুক সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন হরিপুর উপজেলার বুজরুক গ্রামের নুর ইসলাম (২৮) ও একই উপজেলার দেওগাঁও গ্রামের মুক্তার দাই (২৭)। 
২ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অপারেশন কর্মকর্তা মেজর মুনতাসির মামুন সিদ্দিক প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আজ ভোর সাড়ে চারটার দিকে বাংলাদেশের একদল গরু ব্যবসায়ী ভারত থেকে গরু নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বুজরুক সীমান্তের ৩৬১ নম্বর মেইন পিলারের কাছে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফের ১৪ ব্যাটালিয়নের বোররা ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই নুর ইসলাম ও মুক্তার মারা যান। এরপর বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের লাশ ভারত সীমান্তে নিয়ে যান।

মেজর মুনতাসির মামুন সিদ্দিক আরও জানান, দুই বাংলাদেশিকে হত্যা করে লাশ নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাত্ক্ষণিকভাবে বিএসএফের কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পরে আজ বেলা একটায় বিএসএফ ও বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সিদ্ধান্ত হয়, দাপ্তরিক কাজ শেষে বিএসএফ দ্রুত লাশ হস্তান্তর করবে। 

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-01-01/news/317896 

Saturday, 29 December 2012

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত


Sat, Dec 29th, 2012 11:19 am BdST

ঝিনাইদহ, ডিসেম্বর ২৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। 

কানাইডাঙ্গা সীমান্তে শুক্রবার ভোররাতে নিহত এই ব্যক্তির নাম আনোয়ারুল ইসলাম (৩৫)। তিনি মহেশপুরের তেঁতুলতলা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

বিজিবির যশোর ২৬ ব্যাটালিয়নের উপঅধিনায়ক মেজর ওয়াহিদ সাংবাদিকদের বলেন, একদল বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী সীমান্ত ডিঙিয়ে ভারতে গরু আনতে যায়। ৫০ নম্বর মেইন পিলারের অধীন ২ নম্বর সাব পিলারের কাছে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বিএসএফ।

গুলিবিদ্ধ আনোয়ারকে তার সঙ্গীরা কানাইডাঙ্গা নিয়ে আসে। তবে ততক্ষণে তিনি মারা গেছেন।

মহেশপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা বন্ধে ঢাকার পক্ষ থেকে বারবার আহ্বান জানানো হলেও নয়া দিল্লির প্রতিশ্রুতি মিললেও তা বন্ধ হয়নি।

সীমান্তে নিহত বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ গরু ব্যবসায়ী, যারা গরু আনতে ভারতে গিয়ে বিএসএফের গুলির শিকার হন।

বিএসএফের প্রধান ইউ কে বানসাল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গরু বাণিজ্য বৈধ করার পক্ষে মত প্রকাশ করেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এমআই/১১১৬ ঘ.

http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=214937 

Wednesday, 12 December 2012

বাঘা-চারঘাট সীমান্তে বিএসএফের নির্যাতনে বাংলাদেশি নিহত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর বাঘা-চারঘাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের নির্যাতনে বাবর আলী (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি কৃষক মারা গেছেন।

নিহত বাবর নাটোরের লালপুর উপজেলার নতুন পাড়া এলাকার হারান আলীল ছেলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে তিনি বাঘা-চারঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে আত্মীয়ের বাড়ি যান। সেখানে থেকে সন্ধ্যায় ফেরার পথে ভারতের রানীনগর সীমান্তের বাবনাবাজ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাকে তাড়া করলে বাবর পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন। এসময় বিএসএফ সদস্যরা স্পিড বোট নিয়ে তার পিছু নেয়। একপর্যায়ে স্পিড বোট দিয়েই তাকে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে বিএসএফ সদস্যরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রানীনগরের একটি হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এদিকে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) চারঘাটের ইউসুফপুর বিওপির সুবেদার হোসেন আলী জানান, বিষয়টি জানতে পেরে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ও লাশ ফেরত চেয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেল নাগাদ লাশ ফেরত দেওয়ার কথা রয়েছে তাদের।

বাংলাদেশ সময়: ১২৪৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১২, ২০১২
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=1f86f3a5cfb4cb246b5e2b059bf7d6f2&nttl=20121212124946157754 

Sunday, 25 November 2012

বাংলাদেশির লাশ ফেরত দিল বিএসএফ



পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি | তারিখ: ২৫-১১-২০১২

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আজ রোববার ভোররাতে আবদুল লতিফ (৩৫) নামের এক বাংলাদেশিকে লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে হত্যা করে। হত্যার পর বিএসএফ লাশ ভারতে নিয়ে যায়।

এরপর লালমনিরহাট ৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বুড়িমারী ক্যাম্পের কমান্ডার জাবিবুল ইসলাম বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করেন। পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে হত্যার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে লাশ ফেরত চাওয়া হয়েছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বুড়িমারী সীমান্ত দিয়ে আবদুল লতিফের লাশ ফেরত দেওয়া হয়। এ সময় বিএসএফের পক্ষে ডোরাডাবরী ক্যাম্পের প্রশিক্ষক (ইন্সট্রাক্টর) কুন্দল কুমার ও বিজিবির পক্ষে বিজিবি কমান্ডার জাবিবুল ইসলাম এবং পাটগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এরপর আবদুল লতিফের লাশ তাঁর ভাই রশিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আবদুল লতিফ পাটগ্রাম পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেংকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। 

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-25/news/308478