নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ১৮-০৪-২০১১
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছে। আজ সোমাবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে সাতক্ষীরার গাজীপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের কলাপোতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত একজনের নাম রেকাতুল ইসলাম (১৫)। সে কালীগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মুনছুর গাজীর ছেলে। নিহত অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি। আহত ব্যক্তিরা হলেন, কালীগঞ্জ উপজেলার মাঘুরালি গ্রামের পোটাল মিঞার ছেলে শাহাদাত্ হোসেন (২৪) এবং শ্যামনগর উপজেলার জাবাখালী গ্রামের ইমান আলী মোল্লার ছেলে আজিজুল ইসলাম (৪২)। আহতদের খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ও আহতেরা সবাই গরুর রাখাল বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রাখাল জানায়, রেকাতুল, শাহাদাত্, আজিজুলসহ তাদের ২৮ জনের একটি দল শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামের রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় গাজীপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে গরু আনতে যায়। আজ ভোর সাড়ে চারটার গরু নিয়ে আসার সময় গাজীপুর সীমান্তের বিপরীতে জিরো পয়েন্ট থেকে ভারতের ২০০ গজ ভেতরে বসিরহাট মহকুমার কলাপোতা গ্রামে হেলাতলা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রেকাতুলসহ দুজন নিহত হয়। রেকাতুলের লাশ বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারলেও অন্যজনের লাশ তারা নিয়ে আসতে পারেনি। শাহাদাত্ ও আজিজুল গুলিবিদ্ধ হয়ে জিরো পয়েন্ট পৌঁছালে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদেরকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ ফরিদউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত রেকাতুলের লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাতক্ষীরা ৪১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল এনায়েত করিম বলেন, ‘নীলডুমুর বিজিবি ব্যাটালিয়নের খাজিয়া সীমান্ত এলাকা একটি লাশ পাওয়া গেছে বলে শুনেছি। তবে বিএসএফের কাছ থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।’
Monday, 18 April 2011
Thursday, 14 April 2011
বেনাপোলে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত
যশোর অফিস | তারিখ: ১৪-০৪-২০১১
যশোরের বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে গতকাল বুধবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি আহত হয়েছে। তার নাম মুন্না মিয়া (১৫)। সে বেনাপোলের সাদিপুর গ্রামের বিনু মিয়ার ছেলে।
২০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বেনাপোলের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার লিয়াকত আলী জানান, গতকাল রাতে মুন্না মিয়া ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী মিলে ভারতে গরু আনতে যায়। গরু নিয়ে ফেরার পথে সাদিপুর সীমান্তে বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মুন্না মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়। তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
যশোর অফিস | তারিখ: ১৪-০৪-২০১১
যশোরের বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে গতকাল বুধবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি আহত হয়েছে। তার নাম মুন্না মিয়া (১৫)। সে বেনাপোলের সাদিপুর গ্রামের বিনু মিয়ার ছেলে।
২০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বেনাপোলের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার লিয়াকত আলী জানান, গতকাল রাতে মুন্না মিয়া ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী মিলে ভারতে গরু আনতে যায়। গরু নিয়ে ফেরার পথে সাদিপুর সীমান্তে বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মুন্না মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়। তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
Monday, 11 April 2011
বিএসএফের গুলিতে গরু ব্যবসায়ী নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর-নীতপুর সীমান্তে শনিবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে সানাউল্লাহ (৩২) নামের এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন অপর এক গরু ব্যবসায়ী। নিহত সানাউল্লাহ চাঁপাইনবাগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের রোকনপুর নগরপাড়া গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে।
বিজিবি জানায়, রাত ৩টার দিকে কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে সীমান্তের ২২৮/২ আর পিলারের কাছে এলে ভারতের আগ্রাবাদ বিএসএফ ক্যাম্পের জওয়ানরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে সানাউল্লাহ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন একই এলাকার খোস মোহাম্মদের ছেলে নাজমুল ইসলাম (৪৫) নামের অপর এক গরু ব্যবসায়ী। হত্যাকাণ্ডের পর বিএসএফ সানাউল্লাহর লাশ নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, আহত নাজমুলকে রাজশাহীর একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর-নীতপুর সীমান্তে শনিবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে সানাউল্লাহ (৩২) নামের এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন অপর এক গরু ব্যবসায়ী। নিহত সানাউল্লাহ চাঁপাইনবাগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের রোকনপুর নগরপাড়া গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে।
বিজিবি জানায়, রাত ৩টার দিকে কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে সীমান্তের ২২৮/২ আর পিলারের কাছে এলে ভারতের আগ্রাবাদ বিএসএফ ক্যাম্পের জওয়ানরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে সানাউল্লাহ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন একই এলাকার খোস মোহাম্মদের ছেলে নাজমুল ইসলাম (৪৫) নামের অপর এক গরু ব্যবসায়ী। হত্যাকাণ্ডের পর বিএসএফ সানাউল্লাহর লাশ নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, আহত নাজমুলকে রাজশাহীর একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
Saturday, 9 April 2011
বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত
হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি | তারিখ: ০৯-০৪-২০১১
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দাউদপুর সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। তাঁর নাম আবদুর রহিম (৩৫)। তিনি উপজেলার দামাড়পাড়া গ্রামের ইসমুত উদ্দিনের ছেলে।
বিজিবি সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার ভোরে রহিম ভারতে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর তিনি গরু কিনে জামালপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরার সময় ভীমপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি করেন।
হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি | তারিখ: ০৯-০৪-২০১১
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দাউদপুর সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। তাঁর নাম আবদুর রহিম (৩৫)। তিনি উপজেলার দামাড়পাড়া গ্রামের ইসমুত উদ্দিনের ছেলে।
বিজিবি সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার ভোরে রহিম ভারতে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর তিনি গরু কিনে জামালপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরার সময় ভীমপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি করেন।
Thursday, 17 March 2011
বাংলাবান্ধায় ভারতীয় প্রেমিকযুগল আটক পরে ফেরত
পঞ্চগড় প্রতিনিধি | তারিখ: ১৭-০৩-২০১১
পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় প্রেমিকযুগলকে আটক করার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। একটি মোটরসাইকেলে করে তারা বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে। আটক ব্যক্তিরা হলো দশম শ্রেণীর ছাত্রী ঝরনা পাল (১৫) ও দীপংকর রায় (১৬)। তাদের বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কাজ চলছিল। এ সময় ওই প্রেমিকযুগল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) চোখ ফাঁকি দিয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে। পরে বাংলাদেশের দুই কিলোমিটার অভ্যন্তরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বিজিবির সদস্যরা তাদের আটক করে।
পঞ্চগড় ২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাদেকুল বারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তারা ভুল করে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছিল। তাদের বিএসএফের মাধ্যমে ভারতে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তারা একে অপরের আত্মীয় ও তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।
পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় প্রেমিকযুগলকে আটক করার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। একটি মোটরসাইকেলে করে তারা বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে। আটক ব্যক্তিরা হলো দশম শ্রেণীর ছাত্রী ঝরনা পাল (১৫) ও দীপংকর রায় (১৬)। তাদের বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কাজ চলছিল। এ সময় ওই প্রেমিকযুগল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) চোখ ফাঁকি দিয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে। পরে বাংলাদেশের দুই কিলোমিটার অভ্যন্তরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বিজিবির সদস্যরা তাদের আটক করে।
পঞ্চগড় ২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাদেকুল বারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তারা ভুল করে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছিল। তাদের বিএসএফের মাধ্যমে ভারতে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তারা একে অপরের আত্মীয় ও তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।
Tuesday, 15 March 2011
বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে তিন শ্রমিককে পেটাল বিএসএফ
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি | তারিখ: ১৫-০৩-২০১১
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর স্থলবন্দর এলাকায় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে তিন শ্রমিককে বেধড়ক পিটিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গতকাল সোমবার এ ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টের ১৮৬৩ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকার ভারতের অংশে বিরোধের জের ধরে ভারতীয় দুই ব্যবসায়ীর লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ সময় ক্যাম্প কমান্ডার আর কে চাকমার নেতৃত্বে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি বিএসএফ দল বাংলাদেশ অংশে অনুপ্রবেশ করে দুই ট্রাকচালক ফারুক মিয়া ও আসিক মিয়া এবং হেলপার মো. সেলিমকে বেধড়ক পেটাতে থাকে।
কর্তব্যরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নায়েক জালাল উদ্দীন ও সদস্য বাবুল আহমেদ জানান, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিএসএফ সদস্যরা অতর্কিতে বাংলাদেশে ঢুকে ওই তিন শ্রমিকের ওপর হামলা চালান। পরে বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার মনোজ কুমার ঘটনাস্থলে এসে দুঃখ প্রকাশ করেন।
আহত ট্রাকচালক ফারুক মিয়া ও আসিক মিয়া জানান, তাঁরা ভারতীয় এক ব্যবসায়ীর ইট জিরো পয়েন্টে ট্রাক থেকে খালাস করছিলেন। এ সময় বিএসএফের দলটি তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
বিজিবি ১৪ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল নূরুল হুদা বলেন, বিএসএফের এ আচরণ খুবই দুঃখজনক। এ ঘটনার প্রতিবাদ করে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হবে।
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি | তারিখ: ১৫-০৩-২০১১
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর স্থলবন্দর এলাকায় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে তিন শ্রমিককে বেধড়ক পিটিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গতকাল সোমবার এ ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টের ১৮৬৩ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকার ভারতের অংশে বিরোধের জের ধরে ভারতীয় দুই ব্যবসায়ীর লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ সময় ক্যাম্প কমান্ডার আর কে চাকমার নেতৃত্বে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি বিএসএফ দল বাংলাদেশ অংশে অনুপ্রবেশ করে দুই ট্রাকচালক ফারুক মিয়া ও আসিক মিয়া এবং হেলপার মো. সেলিমকে বেধড়ক পেটাতে থাকে।
কর্তব্যরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নায়েক জালাল উদ্দীন ও সদস্য বাবুল আহমেদ জানান, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিএসএফ সদস্যরা অতর্কিতে বাংলাদেশে ঢুকে ওই তিন শ্রমিকের ওপর হামলা চালান। পরে বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার মনোজ কুমার ঘটনাস্থলে এসে দুঃখ প্রকাশ করেন।
আহত ট্রাকচালক ফারুক মিয়া ও আসিক মিয়া জানান, তাঁরা ভারতীয় এক ব্যবসায়ীর ইট জিরো পয়েন্টে ট্রাক থেকে খালাস করছিলেন। এ সময় বিএসএফের দলটি তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
বিজিবি ১৪ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল নূরুল হুদা বলেন, বিএসএফের এ আচরণ খুবই দুঃখজনক। এ ঘটনার প্রতিবাদ করে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হবে।
Saturday, 12 March 2011
বিএসএফের নির্যাতনে বাংলাদেশি যুবক আহত
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী | তারিখ: ১২-০৩-২০১১
রাজশাহীর পবা উপজেলার খানপুর সীমান্তে আবদুল কাদির (৩৫) নামের এক যুবককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যরা নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁকে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কাদিরের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর গ্রামে।
চিকিৎসাধীন কাদির জানান, তিনি একজন গরু ব্যবসায়ী। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তিনিসহ ১০-১২ জন ভারতের কাতলামারী এলাকা থেকে গরু নিয়ে খানপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছিলেন। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাঁদের ধাওয়া করেন। গরু ফেলে অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তিনি তাঁদের হাতে ধরা পড়ে যান। কাদির বলেন, বিএসএফের সদস্যরা তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। পরে তাঁরা তাঁকে প্রায় অচেতন অবস্থায় সেখানে ফেলে যান। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী | তারিখ: ১২-০৩-২০১১
রাজশাহীর পবা উপজেলার খানপুর সীমান্তে আবদুল কাদির (৩৫) নামের এক যুবককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যরা নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁকে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কাদিরের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর গ্রামে।
চিকিৎসাধীন কাদির জানান, তিনি একজন গরু ব্যবসায়ী। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তিনিসহ ১০-১২ জন ভারতের কাতলামারী এলাকা থেকে গরু নিয়ে খানপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছিলেন। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাঁদের ধাওয়া করেন। গরু ফেলে অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তিনি তাঁদের হাতে ধরা পড়ে যান। কাদির বলেন, বিএসএফের সদস্যরা তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। পরে তাঁরা তাঁকে প্রায় অচেতন অবস্থায় সেখানে ফেলে যান। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
Subscribe to:
Posts (Atom)