Wednesday, 30 September 2009

কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ফুলবাড়ী সীমান্তে উত্তেজনা

কুড়িগ্রাম অফিস | তারিখ: ২৯-০৯-২০০৯


কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ী উপজেলার খালিসাকোটাল সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিডিআরের প্রতিবাদের মুখে বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ বন্ধ রাখলেও নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেয়নি।

বিডিআর সূত্র ও সীমান্তবাসী জানায়, রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিএসএফ খালিসাকোটাল সীমান্তের ৯৩৪ থেকে ৯৩৫ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের দেড় কিলোমিটার এলাকার নো ম্যান্স ল্যান্ডে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ শুরু করে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বিডিআরের শিমুলবাড়ী সীমান্ত ফাঁড়ির পক্ষ থেকে বিএসএফের নটকোবাড়ী ক্যাম্পে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়। দুপুর দুইটার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে পতাকা-বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএসএফ নো ম্যান্স ল্যান্ডে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। সীমান্তে বিডিআর ও বিএসএফ টহল জোরদার করেছে।

Saturday, 19 September 2009

লাশ ফেরত

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি | তারিখ: ১৯-০৯-২০০৯



দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর ভাইগড় সীমান্তে নিহত গরু ব্যবসায়ী আজিজার রহমানের (৩৫) লাশ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গত বৃহস্পতিবার রাতে বিরামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাজু মিয়ার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে লাশ হস্তান্তর করেন ভারতের হিলি থানার এসআই শান্তনু কোয়াড়।

Friday, 18 September 2009

পঞ্চগড় ও দিনাজপুরে বিএসএফের গুলিতে দুজন নিহত

দিনাজপুর অফিস ও পঞ্চগড় প্রতিনিধি | তারিখ: ১৮-০৯-২০০৯


পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ও দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা সীমান্তে গতকাল বৃহস্পতিবার ও বুধবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দিনাজপুরে নিহত হন এক বাংলাদেশি এবং পঞ্চগড়ে নিহত হন এক ভারতীয় নাগরিক।

নিহত ব্যক্তিদ্বয় হলেন বিরামপুরের জোতবানী ইউনিয়নের ভাইগড় নিশিবাপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী মো. আজিজার রহমান (৩৫) ও ভারতীয় নাগরিক জাহিদুল ইসলাম (৪৩)। জাহিদুলের বাড়ি সীমান্তবর্তী দার্জিলিং জেলার ফাঁসিদেওয়া থানার মুড়িখাওয়া গ্রামে।

তেঁতুলিয়া সীমান্তের বিডিআর ও সীমান্ত এলাকার লোকজন সূত্রে জানা গেছে, ইফতারের ঠিক আগমুহূর্তে সীমান্তের ৪৪২-এর ১০ নম্বর সাব পিলারসংলগ্ন তেঁতুলিয়া পুরাতন বাজারকে লক্ষ্য করে ভারতের হাফতিয়াগছ বিএসএফ ফাঁড়ির সদস্যরা হঠাত্ গুলিবর্ষণ করেন। এতে পুরাতন বাজার, জিয়ানগর, মোমিনপাড়া, ছিদ্দিকনগরসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন আতঙ্কে ছোটাছুটি করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

অতর্কিত গুলিবর্ষণের সময় ভারতের মুড়িখাওয়া গ্রামের জাহিদুল সীমান্তের শেষ সীমায় কাজ করছিলেন। গুলির শব্দ শুনে তিনি ভয়ে তেঁতুলিয়ার গ্রামের দিকে আসার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর পিঠ ও বাহুতে গুলি লাগে। খবর পেয়ে বিডিআর সদস্যরা ওই এলাকায় গিয়ে সতর্ক অবস্থান নেন। তেঁতুলিয়ার লোকজন ও বিডিআর সদস্যরা জাহিদুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। রাত প্রায় সোয়া আটটার দিকে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

বিডিআরের তেঁতুলিয়া কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল জব্বার বলেন, বিএসএফ বাংলাদেশি গ্রাম লক্ষ্য করে ৩০টির মতো গুলি বর্ষণ করে। তবে একাধিক গ্রামবাসীর দাবি, বিএসএফ সদস্যরা প্রায় আধাঘণ্টা ধরে শতাধিক গুলি বর্ষণ করে।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী ৪০ রাইফেল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে ভারতের ভীমপুর ক্যাম্পের ৫৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা বিরামপুরে তাঁদের ভাইগড় ক্যাম্প থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে ২৯১ মেইন পিলারের ২৭ নম্বর সাব পিলারের কাছে গরু ব্যবসায়ী আজিজারকে লক্ষ্য করে ছয়টি গুলি ছোড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই আজিজারের মৃত্যু হয়। পরে বিএসএফ সদস্যরা আজিজারের মরদেহ নিয়ে যান।

Tuesday, 15 September 2009

বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

দিনাজপুর অফিস ও ফুলবাড়ী প্রতিনিধি | তারিখ: ১৫-০৯-২০০৯



দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় সীমান্তের ওপারে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গত রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার জলপাইতলী বিওপি ক্যাম্পের কাছে শিবপুর চৌধুরীপাড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন ফুলবাড়ীর এলুয়াড়ি গ্রামের রুহুল আমীন (২৮) ও চিরিরবন্দর উপজেলার শাহাপুর কামারপুর গ্রামের মহসীন মিয়া (১৮)।

ফুলবাড়ী ৪০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল ইসলাম জানান, ভারতের বাসন্তীপুর ৬৯ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা জলপাইতলী বিওপি ক্যাম্পের ২০০ গজ পশ্চিমে ৩০৪/১৬-আর পিলারের কাছে দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ২০টি গুলি ছোড়েন। এতে ওই দুই বাংলাদেশি নিহত হন। লাশ দুটি ভারতের সামজিয়া ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিএসএফ। তিনি আরও জানান, ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে লাশ ফেরতের জন্য পতাকা বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিএসএফ দাবি করেছে, নিহত দুই ব্যক্তি ফেনসিডিল ব্যবসায়ী।

ফুলবাড়ীর এলুয়াড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নবিউল ইসলাম নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করেন।
গত শনিবার দিবাগত রাতে দিনাজপুর সদর উপজেলার সুন্দুরা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হন।

Sunday, 13 September 2009

BSF kills 2 in Dinajpur

Star online Report



Indian Border Security Force (BSF) today gunned down two Bangladeshi nationals on Shundra border in Dinajpur Sadar upazila.

The deceased were identified as Ashraful Islam, 40, son of Fazar Ali of Jhulkagram village, and Mohammad Aminul Islam, 30, son of Mokshed Ali of Jaygirpara village in the upazila, our Dinajpur correspondent reports.

The Bangladesh Rifles (BDR) sources said the BSF troops fired shots while they reached near India-Bangladesh border in Shundra border out post (BOP) at 4:30am this morning, killing them on the spot.

Later, BSF also took away the bodies into Indian territory.

The victim's family sources said they were returning home after visiting their relatives near Hamjapur of south Dinajpur in India.

BDR officials of Dinajpur-2 Battalion admitted the incident and said they lodged a strong protest for the killings and sought cooperation from their counterpart so that a calm situation prevails on the India-Bangladesh border.

BDR also urged the BSF to return the bodies.

A tension situation has been prevailing on the bordering areas following the killings.

Saturday, 12 September 2009

BSF kills 2 in Dinajpur



Indian Border Security Force (BSF) today gunned down two Bangladeshi nationals on Shundra border in Dinajpur Sadar upazila.

The deceased were identified as Ashraful Islam, 40, son of Fazar Ali of Jhulkagram village, and Mohammad Aminul Islam, 30, son of Mokshed Ali of Jaygirpara village in the upazila, our Dinajpur correspondent reports.

The Bangladesh Rifles (BDR) sources said the BSF troops fired shots while they reached near India-Bangladesh border in Shundra border out post (BOP) at 4:30am this morning, killing them on the spot.

Later, BSF also took away the bodies into Indian territory.

The victim's family sources said they were returning home after visiting their relatives near Hamjapur of south Dinajpur in India.

BDR officials of Dinajpur-2 Battalion admitted the incident and said they lodged a strong protest for the killings and sought cooperation from their counterpart so that a calm situation prevails on the India-Bangladesh border.

BDR also urged the BSF to return the bodies.

A tension situation has been prevailing on the bordering areas following the killings.

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

লালমনিরহাট প্রতিনিধি | তারিখ: ১২-০৯-২০০৯


লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বুড়িমারী ঝালঙ্গী সীমান্তে গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম ওলিয়ার রহমান (২২)। তিনি ওই ইউনিয়নের প্রধান পাড়া এলাকার হোদেল মুহাম্মদের ছেলে।

বিডিআর ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে ছয়টার দিকে বুড়িমারী সীমান্তের ৮৪৩ নম্বর মেইন পিলারের অধীন তিন নম্বর সাব-পিলারের মাঝামাঝি জায়গা দিয়ে একদল গরু ব্যবসায়ী ভারত থেকে গরু আনছিল। এ সময় ভারতীয় চেংড়াবান্ধা ৭৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে গরু পারাপার দেখতে যাওয়া যুবক ওলিয়ার রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। বিএসএফ সদস্যরা টেনে-হিঁচড়ে তাঁর লাশ ভারতে নিয়ে যান।

বুড়িমারী সীমান্ত ফাঁড়ির (বিওপি) কমান্ডার নায়েক সুবেদার রুহুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় বুড়িমারী বিওপির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে এবং লাশ ফেরত চেয়ে ভারতীয় চেংড়াবান্ধা বিএসএফের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ময়নুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে চেংড়াবান্ধা জিরো পয়েন্টে বুড়িমারী বিওপির কমান্ডার নায়েক সুবেদার রুহুল আমিনসহ অন্যান্যের উপস্থিতিতে বিএসএফ ওলিয়ার রহমানের লাশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।