Showing posts with label পঞ্চগড়. Show all posts
Showing posts with label পঞ্চগড়. Show all posts

Monday, 9 September 2013

লাশটি ফেরত দেয়নি বিএসএফ

Tuesday, 29 January 2013

বিএসএফের বিরুদ্ধে বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ


পঞ্চগড় প্রতিনিধি | তারিখ: ২৯-০১-২০১৩

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার তেলিপাড়া সীমান্তের ওপারে ভারতের মহানন্দা নদীর বালুচরে এক বাংলাদেশির লাশ পাওয়া গেছে। ভারতের হাফতিয়া সীমান্ত ফাঁড়ির বিএসএফের সদস্যরা গতকাল সোমবার বিকেলে তাঁর লাশ হস্তান্তর করেন। অভিযোগ উঠেছে, বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মৃত ওই ব্যক্তি হলেন আনারুল ইসলাম (৩৫)। তিনি গত রোববার রাতে গরু আনতে গিয়ে বিএসএফের হাতে ধরা পড়েন। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাঁকে বেদম মারধর করেন। এতে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে বিএসএফের সদস্যরা তাঁকে মহানন্দা নদীর বালুচরে ফেলে যান।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, তেঁতুলিয়া বিজিবি কোম্পানি সদরের সুবেদার শাহজাহানের নেতৃত্বে একটি দল ওই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় তাদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনও ছিলেন। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামের কামাল হোসেন নামের এক যুবক লাশটি শনাক্ত করেন।

কামাল হোসেন বলেন, আনারুল সম্পর্কে তাঁর চাচাতো ভাই। তিনি বিশ্বনাথপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। কয়েক দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এর পর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

সুবেদার শাহজাহান বলেন, বিজিবি লাশ তেঁতুলিয়া থানায় হন্তান্তর করেছে। তবে কীভাবে আনারুলের মৃত্যু হয়েছে, বিএসএফ এ ব্যাপারে তাদের কোনো কিছু জানায়নি।

তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোজ কুমার রায় বলেন, ‘ময়নাতদন্ত হলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’

তিন ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ: গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে জানান, উপজেলার সোনারহাট সীমান্তের ১২৬৮ নম্বর মেইন পিলারসংলগ্ন এলাকা থেকে গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বিএসএফ তিন ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যায়। তাঁরা হলেন—গোয়াইনঘাট উপজেলার ভাদেশ্বর গ্রামের মাওলানা সুহেল আহমদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাওলানা মুফতি হাবিবুল্লাহ জালালী ও অজ্ঞাতনামা আরেকজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোয়াইনঘাট উপজেলার ভাদেশ্বর মাঠে রোববার ভাদেশ্বর হিলফুল ফুজুল সমাজকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এক তাফসিরুল কোরআন মাহফিল হয়। আটক ব্যক্তিরা এই মাহফিলে যোগ দিয়েছিলেন। মাহফিল শেষে ভাদেশ্বর গ্রামে তাঁরা রাত কাটান। গতকাল দুপুরে সোনারহাট সীমান্তে তাঁরা ঘুরতে যান। এ সময় সীমান্ত এলাকায় টহলরত বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশি সীমান্ত থেকে তাঁদের ধরে নিয়ে যান।

সোনারহাট সীমান্ত ফাঁড়ির ক্যাম্প কমান্ডার আনোয়ার হোসেন এ ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। 


http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-01-29/news/324961 

Wednesday, 4 July 2012

সীমান্তের ওপারে পড়ে আছে বাংলাদেশি কিশোরের লাশ!

পঞ্চগড় প্রতিনিধি | তারিখ: ০৪-০৭-২০১২

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের পশ্চিম দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর এলাকায় বাংলাদেশি এক কিশোরের লাশ পড়ে আছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মো. রতন (১৭) নামের ওই কিশোরের বাড়ি তেঁতুলিয়ার বিহারিপাড়া গ্রামে। পরিবারের দাবি, রতনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিএসএফ। 

নিহত রতনের বাবা হায়দার আলী জানান, রতন ১৫-২০ দিন আগে ভারতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত সোমবার রাতে সে বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দেশে ফিরছিল। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও রতনকে ধরে ফেলেন বিএসএফের সদস্যরা। হায়দার দাবি করেন, বিএসএফের সদস্যরা রতনকে ধরে ঘটনাস্থলেই পিটিয়ে হত্যা করেছে। ফিরে আসা গরু ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি এ খবর জানতে পেরেছেন।

তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ ফেরত আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) বলা হয়েছে।

বিজিবির তেঁতুলিয়া কোম্পানি কমান্ডার হাবিলদার মোজাম্মেল হক গতকাল বিকেল পাঁচটায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের জন্য বিএসএফের মুড়িখাওয়া ক্যাম্পে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পতাকা বৈঠক শুরু হবে। সেখানে আলোচনার পর এ বিষয়ে বলতে পারব।’

পঞ্চগড় ২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, বাংলাদেশি এক কিশোরের লাশ ভারতের মাটিতে পড়ে আছে। তার মৃত্যুর কোনো কারণ জানতে পারিনি। বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।’
গতকাল সন্ধ্যা সাতটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ের পতাকা বৈঠক চলছিল।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-07-04/news/271117

Wednesday, 25 April 2012

পঞ্চগড় সীমান্তে বাংলাদেশিকে পিটিয়ে মেরেছে বিএসএফ


জেলা প্রতিনিধি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
পঞ্চগড়: ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ আবারও ওলিয়ার রহমান (৪২) নামে এক বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

তার বাড়ি পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের মান্দুলপাড়া গ্রামে।

বিএসএফ তাকে অপহরণের পর মারপিট করে ভারতের চোপড়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। অবস্থা বেগতিক দেখে চোপড়া থানা পুলিশ তাকে চিকিৎসার জন্য ইসলামপুর হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত বিএসএফ তার লাশ ফেরত দেয়নি।

জানা গেছে, ভারতের বালাবাড়ি সীমান্ত ফাঁড়ির বিএসএফ সদস্যরা জিরো লাইন থেকে তিনদিন আগে ওলিয়ারকে অপহরণ করে ভারতে নিয়ে যায়।

সীমান্তের একটি সূত্র জানায়, বিএসএফ সদস্যরা ওলিয়ারকে গাছে ঝুলিয়ে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত অবস্থায় চোপড়া থানা পুলিশে সোর্পদ করে। পুলিশ আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ইসলামপুর হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

ওলিয়ারের পরিবারের কাছে অভিযোগ পাওয়ার পর বিজিবির ভজনপুর বিওপি কোম্পানি কমান্ডার ভারতের বালাবাড়ি বিএসএফ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে পতাকা বৈঠকে বসার অনুরোধ জানায়।

মঙ্গলবার ভেলুপাড়া সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ’র কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে কিছুই জানে না বলে দাবি করে। তবে ‘মস্তিস্ক বিকৃত’ এক ব্যক্তিকে তারা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করার কথা বিজিবির কাছে স্বীকার করে।

বাংলাদেশ সময়: ২১৫৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৫, ২০১২