Showing posts with label লালমনিরহাট. Show all posts
Showing posts with label লালমনিরহাট. Show all posts

Sunday, 31 March 2013

লালমনিরহাটে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত



লালমনিরহাট প্রতিনিধি,  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2013-03-31 08:01:31.0 Updated: 2013-03-31 08:01:31.0


লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে।

 
রোববার সকালে বুড়িরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত সিরাজুল ইসলাম (৩৫) উপজেলার লতাবর গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে।

বিজিবি বুড়িরহাট বিওপির নায়েব সুবেদার মোহন মিয়া জানান, বুড়িরহাট বিওপি এলাকার চন্দ্রপুর সীমান্তের ৯১৩ নম্বর মেইন পিলারের ৮-এসের সাব-পীলার সংলগ্ন মালদহ নদীর পাশে নোম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় গরু নিয়ে যাওয়ার পথে ভারতীয় কুচবিহারের কাইতারবাড়ি বিএসএফ ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা গুলি ছুড়ে। গুলির শব্দ শুনে সিরাজুল নোম্যান্স ল্যান্ড থেকে দৌড়ে বাংলাদেশ সীমানায় ঢোকার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

বিজিবি দইখাওয়া ক্যাম্পের সুবেদার শাহ আলম জানান, ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. আমিরুজ্জামান জানান, লাশ উদ্ধার করে লালমনিরহাট হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article608186.bdnews

Sunday, 25 November 2012

বাংলাদেশির লাশ ফেরত দিল বিএসএফ



পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি | তারিখ: ২৫-১১-২০১২

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আজ রোববার ভোররাতে আবদুল লতিফ (৩৫) নামের এক বাংলাদেশিকে লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে হত্যা করে। হত্যার পর বিএসএফ লাশ ভারতে নিয়ে যায়।

এরপর লালমনিরহাট ৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বুড়িমারী ক্যাম্পের কমান্ডার জাবিবুল ইসলাম বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করেন। পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে হত্যার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে লাশ ফেরত চাওয়া হয়েছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বুড়িমারী সীমান্ত দিয়ে আবদুল লতিফের লাশ ফেরত দেওয়া হয়। এ সময় বিএসএফের পক্ষে ডোরাডাবরী ক্যাম্পের প্রশিক্ষক (ইন্সট্রাক্টর) কুন্দল কুমার ও বিজিবির পক্ষে বিজিবি কমান্ডার জাবিবুল ইসলাম এবং পাটগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এরপর আবদুল লতিফের লাশ তাঁর ভাই রশিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আবদুল লতিফ পাটগ্রাম পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেংকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। 

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-25/news/308478 

Monday, 3 September 2012

BSF kills 1 in Lalmonirhat



Indian Border Security Force (BSF) shot dead a Bangladeshi cattle trader along Burimari border in Patgram upazila of Lalmonirhat on Saturday.
The victim was identified as Babul Hossain, 31, of Islampur village in the upazila.
Helal Uddin, camp commander of Border Guard Bangladesh (BGB) 31 Battalion, said a BSF patrol team of Changrabandha camp of Cooch Behar opened fire on Babul around 9:20pm when he went there to receive cattle smuggled in from India.
The BSF later took the body, he added.
The BGB in a letter to the BSF demanded the return of the body. The BSF said it would hand over the body after an autopsy, said BGB officials. 

Sunday, 2 September 2012

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

Sun, Sep 2nd, 2012 9:16 pm BdST

লালমনিরহাট, সেপ্টেম্বর ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে।

শনিবার রাতে সীমান্তের ৮৪৩ নম্বর মেইন পিলারের ২/৩ নম্বর সাব-পিলারের মাঝামাঝি ধরলা নদীর পাশে ‘গরু ব্যবসায়ী’ বাবুল হোসেন (৩৩) নিহত হন বলে বিজিবি জানিয়েছে।

বাবুল শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ডাঙারবাড়ী (গুচ্ছগ্রাম) এলাকার প্রয়াত জসিমুদ্দিনের ছেলে।

হত্যার পর বিএসএফ লাশ নিয়ে যায়। রোববার রাতে বিজিবির মাধ্যমে লাশটি ফেরত দিয়েছে।

এর আগে শনিবার ভোরে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নাগরভিটা সীমান্তে বিএসএফ মো. আজিরুল (৩০) নামে এক বাংলাদেশিকেও গুলি করে হত্যা করে।

সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশ বরাবরই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও ভারতের সমালোচনায় মুখর।

লালমনিরহাট-৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পাটগ্রাম কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আল হেলাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিএসএফ কুচবিহার-১০৪ ব্যাটালিয়নের চ্যাংরাবান্ধা ক্যাম্পের একটি টহল দল গুলি চালিয়ে হত্যার পর বাবুলের লাশ নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, রোববার দুপুরে বুড়িমারী জিরো পয়েন্টে এক পতাকা বৈঠকে বিএসএফ কর্মকর্তারা বাবুল হোসেন নিহত হয়েছেন বলে বিজিবির কাছে স্বীকার করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে লালমনিরহাট-৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বুড়িমারী কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আল হেলাল ও ভারতের পক্ষে কুচবিহার-১০৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চ্যাংরাবান্ধা কোম্পানি কমান্ডার বীর পাল সিংহ নেতৃত্ব দেন।

বাবুলের সঙ্গী সাইফুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় বাবুলসহ ২২ বাংলাদেশি গরু আনার জন্য কুচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে যান।

তিনি জানান, বাবুলসহ কয়েকজন নদী পার হয়ে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করেন। এ সময় চ্যাংরাবান্ধা ক্যাম্পের বিএসএফ টহল দল বাবুলকে গুলি করে হত্যার পর লাশ নিয়ে যায়। অন্যরা পালিয়ে আসেন।

বাবুলের ছোট ভাই হোসেন আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গরু আনতে সীমান্তে যান বাবুল। রাত সাড়ে ১০টায় গুলির শব্দ শুনতে পান তিনি। কিছুক্ষণ পর বাবুলের সঙ্গী সাইফুল এসে বাবুল নিহত হওয়ার কথা জানান।

রোববার রাত সাড়ে ৮টায় বুড়িমারী স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্টে বাবুলের লাশ ফেরত দেয় বিএসএফ।

৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাঁন মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ময়না তদন্ত শেষে পাটগ্রাম থানার এসআই রমজান আলীর কাছে ভারতের কুচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার এসআই রনজিৎ কুমার পাল লাশ হস্তান্তর করেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/সিএস/ডিডি/এমআই/২৩৩৪ ঘ.

http://bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=203749&hb=5

Thursday, 23 August 2012

পাটগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে পিটিয়ে হত্যা

বিএসএফের বিরুদ্ধে অভিযোগ

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি | তারিখ: ২৩-০৮-২০১২
ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা জাহাঙ্গীর হোসেন (২৪) নামের বাংলাদেশি এক রাখালকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চেনাকাটা নদীতে জাহাঙ্গীরের লাশ পাওয়া যায়।

জাহাঙ্গীর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জগেবড় ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, গত সোমবার (ঈদের দিন) রাতে জাহাঙ্গীরসহ ছয়জন বাংলাদেশি রাখাল একই ইউনিয়নের ভোটহাট খাতা সীমান্ত দিয়ে ভারতে গরু আনতে যান। গরু নিয়ে ফিরে আসার সময় ভারতের ুকোচবিহার-৩৫ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চেনাকাটা ক্যাম্পের একটি টহল দল জাহাঙ্গীরকে ধরে নিয়ে যায়। অন্যরা পালিয়ে যান।

রাখাল মানিক হোসেন অভিযোগ করেন, বিএসএফ সদস্যরা জাহাঙ্গীরকে ক্যাম্পে নিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ মঙ্গলবার রাতে চেনাকাটা নদীতে ভাসিয়ে দেয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, গতকাল বেলা ১১টার দিকে ভারতের চেনাকাটা গ্রামবাসী নদীতে লাশ দেখতে পেয়ে পাশের চেনাকাটা বিএসএফ ক্যাম্পে খবর দেয়। বিএসএফ সদস্যরা জাহাঙ্গীরের লাশ দেখে বাংলাদেশের নাজিরগোমানী বিজিবিকে চিঠি দিয়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানায়। খবর পেয়ে লালমনিরহাট-৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পাটগ্রাম কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আবদুর রহমান লাশ শনাক্ত করেন।

সুবেদার আবদুর রহমান বলেন, জাহাঙ্গীরের লাশ ফেরত চেয়ে পতাকা বৈঠকে বিএসএফের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-23/news/283212

Thursday, 26 July 2012

সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিএসএফ


জেলা প্রতিনিধি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
লালমনিরহাট: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তে গরু রাখাল আবু আলম (২৪) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সীমান্তবর্তী সানিয়াজান নদী থেকে আলমের লাশ উদ্ধার করে বিএসএফ সদস্যরা নিয়ে গেছে বলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা নিশ্চিত করেছে।

নিহত আলম পাটগ্রাম পৌরসভার কোটতলী রেলওয়ে কলোনি এলাকার মৃত সামসুল হকের ছেলে। তবে লাশটি আলমেরই কিনা তা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বুড়িমারী বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র বাংলানিউজকে জানায়, বুধবার গভীররাতে রাসেলের নেতৃত্বে আলমসহ বাংলাদেশি ১১ রাখালের একটি দল বামনদল সীমান্তের ৮৩৬ নম্বর মেইন পিলারের কাছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বিএসবাড়ী এলাকার সানিয়াজন নদী পার হয়ে গরু আনতে যান। ওই রাতে গরু নিয়ে দেশে ফেরার পথে রাখাল দলের ১০ জন বাংলাদেশে পার হয়ে আসতে পারলেও আলম ৩টি গরুসহ বিএসবাড়ী বিএসএফ ক্যাম্পের টহলরত সদস্যদের হাতে আটক হন।

এরপর বিএসএফ সদস্যরা তাকে ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করে লাশ সানিয়াজান নদীর এক নম্বর বিএসবাড়ী বেইলি ব্রিজের ভাটিতে ভাসিয়ে দেয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় আলমের লাশ বামনদল সীমান্তের ৮৩৫ নন্বর মেইন পিলারের ৫ ও ৬ নম্বর সাব পিলার এলাকায় ভারতীয় কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জের খড়খড়িয়া ১০৪ বিএসএফ ক্যাম্পের সামনে সানিয়াজান নদীতে ভেসে ওঠে। এ সময় বিএসএফ নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে বিজিবিকে জানালে এ খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী নিহত যুবকের প্রতিবেশী শরিফুল ইসলাম ও মামুন-অর-রশিদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘‘বুড়িমারী বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা লাশ সনাক্ত করার জন্য আমাদের ২ জনকে খড়খড়িয়া ক্যাম্পের সামনে বিএসএফের কাছে পাঠায়। নিহতের মুখ-ম-ল হাতুড়ি দিয়ে এমনভাবে থেতলে ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয়েছে যে চেনার কোনো উপায় নেই। শরীর পানিতে থাকায় ফুলে গেছে। তবে দেহ দেখে মনে হয়েছে এটিই আলমের লাশ।’’

বিএসএফের নির্যাতনে নিহত আলমের ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মোহসেনা আক্তার সুমি বাংলানিউজকে বলেন, ‘‘গরু পারপারকারী দলের নেতা রাসেল রাতে আমাকে বাড়িতে এসে বলেছেন আলমকে বিএসএফ আটক করেছে। নিহত ব্যক্তিই আমার স্বামী হবে। এ কথা বলে সুমি শুধুই বিলাপ করছিলেন।’’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিহত আলমের আর কেউ না থাকায় লাশ নিশ্চিতভাবে সনাক্ত করা যাচ্ছে না। এছাড়া সুমিরও কোনো আত্মীয়স্বজন নেই। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় সুমি নিজেও কোথাও যেতে পারছেন না।

বৃহস্পতিবার বিকেলে লালমনিরহাট-৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বুড়িমারী কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আল হেলাল ঘটনাস্থল থেকে বাংলানিউজকে জানান, লাশটি এখনো সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। লাশ সনাক্তের চেষ্টা চলছে। কোচবিহার-১০৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চ্যাংরাবান্ধা কোম্পানী কমান্ডার বলবীর সিংহ পতাকা বৈঠকে জানিয়েছেন লাশটি ভারতীয় নাগরিকের নয়।

এদিকে, বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের বাদনদল ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুস সালাম বাংলানিউজকে জানান, বুড়িমারী ইউনিয়নের কোনো ব্যক্তি নিহত বা নিখোঁজ হয়নি। এ লাশও এ এলাকার কারো নয়।

লালমনিরহাট-৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর রুহুল আমীন বাংলানিউজকে বলেন, ঘটনাস্থলে বিজিবির কোম্পানি কমান্ডারকে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু লাশের কোনো দাবিদার না থাকায় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। লাশের প্রকৃত দাবিদার পাওয়া গেলে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফের কাছে লাশ ফেরত চাওয়া হবে।
 
বাংলাদেশ সময়:  ঘণ্টা, জুলাই ২৬, ২০১২ 

Thursday, 8 March 2012

বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ


অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ০৮-০৩-২০১২

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ঝালঙ্গি থেকে বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ব্যাপারে বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ওই যুবকের নাম জাহাঙ্গীর আলম (২৫)। তাঁর বাড়ি পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী মাস্টার বাড়ি গ্রামে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ৮৪৩ নম্বর পিলারের কাছে ধানখেতে কাজ করার সময় ভারতের কোচবিহারের চন্দ্রাবান্ধা ক্যাম্প থেকে বিএসএফ তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় বিএসএফ তাঁকে নির্যাতন করে বলেও তারা অভিযোগ করে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩১ নম্বর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল আসলাম বলেন, আটক ওই যুবককে ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে বিএসএফের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইউএনবি।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-03-08/news/231030

Wednesday, 26 October 2011

BSF intruders vandalise houses

Panic grips people of a village in Lalmonirhat
The people of bordering Kisamot Nijjoma village under Sree Rampur union of Patgram upazila are now in a state of panic as Indian border guards vandalised three houses at the village on Monday night.
Sree Rampur BGB (Border Guard Bangladesh) camp in-charge Havilder Bashir Ahmed said some 20 to 25 BSF men of Ratanpur and Shalbari camps under Meghliganj Police Station of Cooch Behar district entered the village at around 8:30, vandalised three houses and took away four cows.
Immediately after the incident, BGB personnel visited the village and condemned the attack on the village. They also informed their Indian counterparts of the matter and asked for a flag meeting.
BSF responded positively and sat in a flag meeting on no man's land at Sree Rampur frontier at 10:30am yesterday. But the company commander level meeting between BGB and BSF ended at 1:30pm without any fruitful result as the Indian border guards denied their involvement in the incident.
The BSF team was led by company commander of Ratanpur BSF camp SK Singh while BGB team by Burimari BGB camp commander Helal Uddin Ahmed.
BGB commander Helal Uddin told this correspondent that the meeting ended inconclusively as BSF flatly denied its involvement in the incident at Kisamot Nijjoma village in Patgram upazila. The Indian team told the meeting that no BSF man had intruded into the village on Monday night, he added.
Commander Helal Uddin further said the BGB personnel are always ready to face any unexpected situation on the border. Additional BGB men have been deployed at the bordering village.
The villagers of Kisamot Nijjoma fear fresh BSF attack on the village anytime as the flag meeting yielded no positive results. Moyna Begum, 36, wife of Atikar Rahman of the village, said the villagers are now in a state of panic as the flag meeting has failed to settle the issue.

Friday, 1 July 2011

Bangladeshi beaten to death by BSF

Our Correspondent, Lalmonirhat

A Bangladeshi cattle trader was beaten to death allegedly by Indian Border Security Force (BSF) at Burimari border under Patgram upazila yesterday.

Patgram police recovered the body of the deceased from the Saniyazan River in the morning.

The victim was identified as Mizanur Rahman,25, son of Fazlul Haque of Bamondol village near Burimari border.

Quoting family sources, OC of Patgram PS Murshidul Karim said Mizanur Rahman was caught by BSF men of Changrabandha while he along with four others were bringing cattle from India through Burimari border.

Mizanur was tortured severely. When he died the BSF men threw his body into Saniyazan River, he said.

Mizanur's father said that his son and a few other locals went to India to bring cattle on Wednesday. "My son was tortured to death by BSF yesterday morning,” he said.

However, Burimari BGB camp commander Subedar Baset Miah said, he had no information of torturing any Bangladeshi to death by BSF.

Police sent the body to Lalmonirhat Sadar Hospital morgue for autopsy yesterday.

Thursday, 30 June 2011

বিএসএফের পাথরের আঘাতে বাংলাদেশির মৃত্যু

Thu, Jun 30th, 2011 4:13 pm BdST

লালমনিরহাট, জুন ৩০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোড়া পাথরের আঘাতে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে বুড়িমারী সীমান্তের সানিয়াজান নদীতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

নিহত মিজানুর রহমান (২৫) উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামন দল গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে। তিনি গরু কেনা-বেচার ব্যবসা করতেন।

বিজিবি বুড়িমারী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার বাসেদ সাংবাদিকদের জানান, মিজানুর ভোরে সীমান্তের ৮৩৮ নম্বর মেইন পিলারের পাশের সানিয়াজান নদী দিয়ে ভারত থেকে গরু নিয়ে আসছিলেন। এ সময় খোঁষাল ডাঙ্গা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা নদীর সেতুর ওপর থেকে মিজানুরের মাথা লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর নিক্ষেপ করে।

পাথরের আঘাতে ঘটনাস্থলেই মিজানুরের মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি।

দুপুর ১২টার দিকে বিএসএফ লাশ ফেরত দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিজিবি এ ধরণের হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।

পাটগ্রাম থানার ওসি মুরশিদুল করিম এহতেশাম জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/সিএস/আরএ/১৬০৬ ঘ.

Tuesday, 28 December 2010

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত




পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি | তারিখ: ২৮-১২-২০১০


লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তে গতকাল সোমবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গুরুতর আহত বাবু মিয়া কে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেওয়া হয়েছে।

বিডিআর জানায়, গতকাল উপজেলার বামনদল সীমান্তের ৮৩৮ নম্বর মেইন পিলারের কাছ দিয়ে বাংলাদেশি ও ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীদের যোগসাজশে গরু পারাপারের সময় বিএসএফের সদস্যরা সাতটি গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলেই বেলাল হোসেন (২৫) নিহত হন। নিহত যুবকের লাশ বিএসএফ নিয়ে গেছে।

BSF kills 1

Tuesday, December 28, 2010


Our Correspondent

A Bangladeshi farmer was shot dead and two others were injured by Indian Border Security Force (BSF) on Burimari border in Patgram upazila of Lalmonirhat yesterday.

The deceased Belal Hossain, 26, hailed from Namajitari village in the upazila, died on the spot while Babu Mia, 25, and Hasan Ali, 28, of Bamandal village received bullet injuries but managed to flee the scene.

Babu and Hasan were rushed to Patgram Upazila Health Complex.

The BSF men took away the body of Belal.

Bangladesh Rifles (BDR) Burimari camp commander Subedar Sayeed Ahmed said he sent a letter to BSF Biyezbari camp of West Bengal protesting the killing and asking them to return the body of Belal as soon as possible.

BSF men opened fire on the farmers without any provocation, he claimed.

BDR sources said Indian troops shot seven rounds of bullet targeting the Bangladeshi farmers when they went to a field adjacent to the border area at about 6:15am.

In reply, BSF members of Biyezbari camp sent a letter to BDR claiming that a patrol team of BSF fired when the three farmers along with their associates were illegally crossing the border.

BSF will hand over the body to BDR after an autopsy within 24 hours, sources said.

A tense situation is prevailing in the bordering area.

Saturday, 25 December 2010

BSF kills Bangladeshi cattle trader

Saturday, December 25, 2010


Our Correspondent, Lalmonirhat

A Bangladeshi was shot dead by Indian Border Security Force (BSF) along Doikhawa border at Hatibandha upazila in Lalmonirhat early yesterday.

The victim, Saikur Rahman, 21, son of Golam Mohammad of Uttar Gotamari village of the upazila, was a cattle trader.

The man died on the spot as BSF men fired three bullets at him around 5:45am. The body was taken into the Indian territory, said Border Guards Bangladesh (BGB) Doikhawa camp.

BGB condemned the killing and sent a letter to BSF demanding the body back by this morning.

BSF of Baro Morichabari camp in West Bengal told BGB the cattle trader was smuggling Indian cattle into Bangladesh.

However, Lieutenant Colonel Aslam Hossain, commanding officer of Lalmonirhat 31 Rifles Battalion, said BSF would hand over the body to BDR after autopsy.

Friday, 24 December 2010

লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

লালমনিরহাট প্রতিনিধি | তারিখ: ২৪-১২-২০১০


লালমনিরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম সাইয়াকুর রহমান (২০)। তাঁর বাড়ি হাতিবান্ধা উপজেলার বুতমারী গ্রামে। সাইয়াকুর রহমানের লাশ বিএসএফ নিয়ে গেছে। আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে হাতিবান্ধার দই খাওয়া এলাকায় তিনি নিহত হন।

এ ঘটনায় লালমনিরহাট ৩১ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের দই খাওয়া বিওপি ক্যাম্পের পক্ষ থেকে ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নিহতে ব্যক্তির দেহ ফেরত চেয়ে বড় মরিচাবাড়ী বিএসএফ ক্যাম্পে জরুরি পত্র পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে ৩১ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের উপঅধিনায়ক মেজর শফিক উদ্দিন বলেন, বিএসএফ নিহত বাংলাদেশি যুবকের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে বিডিআরের কাছে ফেরত পাঠাবে বলে জানিয়েছে।

Thursday, 11 November 2010

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা এবং লালমনিরহাট ও পাটগ্রাম প্রতিনিধি | তারিখ: ১১-১১-২০১০


লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্তের ওপারে গত মঙ্গলবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে।

এদিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গাজীপুর সীমান্তের ওপারে বিএসএফের গুলিতে আহত এক বাংলাদেশি মঙ্গলবার রাতে মারা গেছেন।

বুড়িমারী সীমান্তের ওপারে বিএসএফের গুলিতে নিহত মোতালেব হোসেনের (৩৮) বাড়ি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে।

Wednesday, 24 March 2010

লালমনিরহাটে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত




লালমনিরহাট প্রতিনিধি | তারিখ: ২৪-০৩-২০১০


লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার জাওরানী সীমান্তে গত সোমবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মনোরঞ্জন মণ্ডল (৩০)।

জাওরানী সীমান্তের মেইন পিলার নম্বর-৯১২ ও সাব-পিলার নম্বর-৩-এর কাছে খামারবাড়ী গ্রামের বিপরীতে ভারতীয় গ্রাম কাতাইবাড়ী এলাকায় মনোরঞ্জনকে বিএসএফের সদস্যরা গুলি করে হত্যা করে লাশ নিয়ে যান।

হাতীবান্ধার দইখাওয়া বিওপির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আমির জানান, সম্ভবত অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার সময় বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে মনোরঞ্জন মারা যান। নিহত মনোরঞ্জনের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার খোলাপাড়া বালিগাঁও গ্রামে। তিনি পেশায় একজন দর্জি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারতে তাঁর বোন থাকেন।

Saturday, 14 November 2009

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত


পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি | তারিখ: ১৩-১১-২০০৯


লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের জালঙ্গি সীমান্তে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহত মোহাম্মদ আলী (৩৬) উপজেলার কিসামত নির্মজা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল ভোর ছয়টার দিকে ভারত থেকে গরু নিয়ে জালঙ্গি গ্রামে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফ সদস্যরা মোহাম্মদ আলীকে গুলি করেন। পরে বিএসএফ সদস্যরা তাঁর দেহ নিয়ে যান।

BSF kills two Bangladeshis

Star National Desk

Indian border guards have killed two Bangladeshis in Lalmonirhat and Satkhira.

Our Correspondent in Rangpur reports: A Bangladeshi national was shot dead by Border Security Force (BSF) in Burimari frontier area under Patgram upazila in Lalmonirhat district yesterday morning.

Eyewitnesses said, BSF personnel dragged the body of the victim into their territory immediately after the incident.

BDR identified the dead as Mohammed Ali, son of Ismail Hossain of village Kouamari.

A BDR source said, BSF opened fire on Mohammad Ali at about 6:00 am while he was working at a field beside demarcation pillar no: 854. He was hit in the chest and head and died on the spot.

BDR personnel from Srirampur border outpost rushed to the spot and sent a protest letter to BSF, said the source.

UNB from Satkhira said: Habib Gazi, 18, a cattle trader and son of Lutfur Rahman Gazi of Nangla village in Devhata upazila, was

found dead along Basantapur Damdam border in Kaliganj upazila yesterday.

The victim's relatives yesterday noon recovered the body of Habib from a char of the Ichhamati River.

Family sources said, BSF men of Barun camp detained Habib, who went to India to buy cattle four days ago, while he was returning home from India along with cattle.

Locals said, BSF men dumped the body of Habib in the river after killing him. The body bore injury marks.

Saturday, 12 September 2009

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

লালমনিরহাট প্রতিনিধি | তারিখ: ১২-০৯-২০০৯


লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বুড়িমারী ঝালঙ্গী সীমান্তে গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম ওলিয়ার রহমান (২২)। তিনি ওই ইউনিয়নের প্রধান পাড়া এলাকার হোদেল মুহাম্মদের ছেলে।

বিডিআর ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে ছয়টার দিকে বুড়িমারী সীমান্তের ৮৪৩ নম্বর মেইন পিলারের অধীন তিন নম্বর সাব-পিলারের মাঝামাঝি জায়গা দিয়ে একদল গরু ব্যবসায়ী ভারত থেকে গরু আনছিল। এ সময় ভারতীয় চেংড়াবান্ধা ৭৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে গরু পারাপার দেখতে যাওয়া যুবক ওলিয়ার রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। বিএসএফ সদস্যরা টেনে-হিঁচড়ে তাঁর লাশ ভারতে নিয়ে যান।

বুড়িমারী সীমান্ত ফাঁড়ির (বিওপি) কমান্ডার নায়েক সুবেদার রুহুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় বুড়িমারী বিওপির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে এবং লাশ ফেরত চেয়ে ভারতীয় চেংড়াবান্ধা বিএসএফের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ময়নুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে চেংড়াবান্ধা জিরো পয়েন্টে বুড়িমারী বিওপির কমান্ডার নায়েক সুবেদার রুহুল আমিনসহ অন্যান্যের উপস্থিতিতে বিএসএফ ওলিয়ার রহমানের লাশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

Sunday, 9 August 2009

বিএসএফের গুলিতে পাটগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশি নিহত




লালমনিরহাট ও পাটগ্রাম প্রতিনিধি | তারিখ: ০৮-০৮-২০০৯

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্তে গত বৃহস্পতিবার ভোরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মইনুল ইসলাম (২৫)।
বিডিআর ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে মইনুল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মেইন পিলার ৮৪৩-এর কাছে গেলে বিএসএফ সদস্যরা বিনা উসকানিতে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বিডিআরের বুড়িমারী বিওপির কমান্ডার সুবেদার রুহুল আমিন প্রথম আলোকে জানান, ওই দিনই রাত আটটার দিকে বিএসএফ মইনুলের লাশ বুড়িমারী জিরো পয়েন্টে ফেরত দিয়েছে।