Showing posts with label সাতক্ষীরা. Show all posts
Showing posts with label সাতক্ষীরা. Show all posts

Sunday, 12 August 2012

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

Sun, Aug 12th, 2012 8:42 pm BdST
সাতক্ষীরা, অগাস্ট ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- গরু নিয়ে দেশে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী-বিএসএফ এক বাংলাদেশি রাখালকে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে।

রোববার ভোরে বৈকারি সীমান্ত এলাকায় ওই রাখালকে গুলি করে হত্যার পর বিএসএফ লাশ নিয়ে যায়। বিকালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ ফিরিয়ে আনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি।

নিহত আতাউর রহমান (৩০) সদর উপজেলার বাবুলিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদারের ছেলে।

সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অপারেশন কর্মকর্তা মেজর আবু মোতাহার মো. সোহেল সাংবাদিকদের জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বিএসএফ ১৫২ ব্যাটালিয়নের গোবরদা ক্যাম্পের সদস্যরা তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলিতে আতাউর রহমান ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে বিএসএফ তার লাশ নিয়ে যায়।

বিকাল সাড়ে ৪টায় কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয় বিজিবি ও বিএসএফ এর মধ্যে। বৈঠকে গুলির ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয় বলে বিজিবি কর্মকর্তারা জানান।

লাশ ফেরত পাওয়ার পর নিহতের পরিবারের সদস্যদের কাছে তা হস্তান্তর করা হয়।

সীমান্তে হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের বারবার প্রতিবাদ জানানোর পর ভারতের পক্ষ থেকে তা কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র বিএসএফকে দেওয়া হবে।

তবে তারপরও সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা কমেনি। দেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোও সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে আসছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/সিএস/২০৩৯ ঘ.

http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=202080&hb=4

Sunday, 15 July 2012

এবার যুবকের হাত-পা ভেঙে দিল বিএসএফ


নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ১৫-০৭-২০১২

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এক বাংলাদেশি রাখালকে আটক করে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে। নির্যাতনের কারণে ওই বাংলাদেশির পা ও বাঁ হাতের কনুই ভেঙে গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ রোববার ভোরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ধুবলী সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

আহত রাখালের নাম আক্তারুল ইসলাম (২৬)। তিনি সদর উপজেলার তলুইগাছা গ্রামের ছোবহান সরদারের ছেলে। 

ছয়ঘরিয়া কালিয়ানি কারিকরপাড়ার আতিয়ার রহমান জানান, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আক্তারুল ইসলামসহ তিনজন ছয়ঘরিয়া সীমান্তে গরু আনতে যান। আজ ভোর চারটার দিকে গরু নিয়ে ফেরার সময় ধুবলি নামক স্থানে কৈজুড়ি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের ধাওয়া করে। এ সময় আক্তারুলকে বিএসএফ ধরে ফেলে। তাঁকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে দুই পা ও বাঁ হাতের কনুই ভেঙে দেয়। পরে মৃত ভেবে তাঁকে ৭ নম্বর মেইন পিলারের ৫০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে ফেলে যায়। খবর পেয়ে তিনিসহ কয়েকজন গ্রামবাসী আক্তারুলকে বাংলাদেশ সীমান্তে নিয়ে আসেন। পরে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আক্তারুল ইসলাম প্রথম আলো ডটকমকে জানান, বিএসএফ তাঁকে লাঠি দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। সীমান্ত গ্রামবাসী তাঁকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিত্সক হাফিজ উল্লাহ জানান, আক্তারুলের দুই পা ও বাঁ হাতের কনুই ভেঙে গেছে। তাঁকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কুশখালী বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মো. গিয়াসউদ্দিন জানান, একজন রাখাল ছয়ঘরিয়া সীমান্ত থেকে ভারতের এক কিলোমিটার ভেতরে বিএসএফের হাতে নির্যাতিত হয়েছেন। গোপনে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। 

সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু বাছের জানান, বিষয়টি জানার পর ভারতের কৈজুরি বিএসএফ ক্যাম্পে নির্যাতিত রাখালের ছবিসহ প্রতিবাদ পাঠানো হয়েছে। কাল ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে প্রতিবাদলিপি পাঠানোর পাশাপাশি পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হবে। 


Tuesday, 3 July 2012

কলারোয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত


নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ০৩-০৭-২০১২

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙ্গা সীমান্তের বিপরীতে ভারতীয় ভূখণ্ডে সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ সময় আটক করা হয়েছে অপর এক বাংলাদেশিকে। গতকাল ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম আলতাফ হোসেন (২২)। তিনি কলারোয়া উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। আটক করে নিয়ে যাওয়া ব্যক্তি একই গ্রামের মহিদ হোসেন (৩০)।

সীমান্ত গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে বাংলাদেশি ৮-১০ জনের একটি দল সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে যায় গরু আনতে। গতকাল ভোরে গরু নিয়ে ফেরার সময় কাকডাঙ্গা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বশিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার তারালি এলাকায় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আলতাফ হোসেন ঘটনাস্থলে নিহত হন। বিএসএফ সদস্যরা মহিদ হোসেনকে আটক করে ভারতের হাকিমপুর ক্যাম্পে নিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর নিহতের লাশ ও আটককৃত বাংলাদেশিকে ফেরত চেয়ে সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি কাকডাঙ্গা ক্যাম্পের পক্ষ বিএসএফের হাকিমপুর ক্যাম্পে চিঠি পাঠানো হয়। এ নিয়ে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে কলারোয়ার কেঁড়াগাছি সীমান্তের জিরো পয়েন্টে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবির পক্ষে সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের মাদরা কোম্পানি কমান্ডার সুলতান আহম্মেদ ও বিএসএফের নেতৃত্ব দেন ভারতের আমুদিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ভিপি সিং। ৩৮ বিজিবি ক্যাম্পের অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু বাসির ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, পতাকা বৈঠকে বিএসএফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিহতের লাশ ও আটক বাংলাদেশিকে সে দেশের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনি-প্রক্রিয়া ছাড়া লাশ ও আটক ব্যক্তিকে ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়।


 http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-07-03/news/270782

Friday, 13 April 2012

বিএসএফের বিরুদ্ধে বাংলাদেশিকে হত্যার অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ১৩-০৪-২০১২

ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার কৈজুড়ি সীমান্ত এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার এক বাংলাদেশি যুবককে বিএসএফ পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই যুবকের নাম সিরাজুল ইসলাম (৩০)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কালিয়ানী গ্রামের সৈয়দ আলী সরদারের ছেলে। এ ঘটনার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফ পতাকা বৈঠক করেছে।

এলাকাবাসী জানান, গত বুধবার রাতে কয়েকজন বাংলাদেশি রাখাল সাতক্ষীরার বৈকারি সীমান্ত দিয়ে ভারতে গরু আনতে যান। গতকাল ভোরে তাঁরা গরু নিয়ে ফেরার পথে ভারতের কৈজুড়ি মাঠের ভেতরে পৌঁছালে বিএসএফ সদস্যরা সিরাজুলকে আটক করেন। পরে সেখানে তাঁরা তাঁকে লাঠি দিয়ে পেটান ও দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। বেলা দুইটা পর্যন্ত লাশ ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল।

সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মো. ছামিউন-নবী চৌধুরী জানান, ঘটনাটি জানার পর বিএসএফের কৈজুড়ি ক্যাম্পে চিঠি পাঠানো হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বৈকারি সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএসএফ জানিয়েছে, তারা কোনো বাংলাদেশিকে হত্যা করেনি।

বিএসএফের দাবি, ভারতীয় দুবৃর্ত্তরা ওই বাংলাদেশিকে হত্যা করতে পারে।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-04-13/news/240038

Thursday, 12 April 2012

সাতক্ষীরা সীমান্তে যুবককে কুপিয়ে হত্যা


Thu, Apr 12th, 2012 10:18 pm BdST

সাতক্ষীরা, এপ্রিল ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা ফের এক বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিহত সিরাজুল ইসলাম (৩২) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারি ইউনিয়নের কালিয়ানি গ্রামের সৈয়দ আলি সরদারের ছেলে।

বৃহস্পতিবার ভোররাতে সদর উপজেলার বৈকারি সীমান্তের বিপরীতে ভারতের ছোট বাঁকড়া এলাকার কৈজুড়ি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা সিরাজুলকে আটকের পর কুপিয়ে হত্যা করে বলে তাই ভাই অভিযোগ করেছেন।

অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করে বিএসএফ বিজিবিকে বলছে, স্থানীয় গ্রামবাসীর মারপিটে সিরাজুলের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, বুধবার রাতে সিরাজুলসহ কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী সীমান্ত পার হয়ে ভারতে গরু আনতে যান।

বৃহস্পতিবার ভোররাতে গরু নিয়ে দেশে ফেরার পথে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার ছোট বাঁকড়া নামক স্থানে পৌঁছালে কৈজুড়ি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা সিরাজুলকে আটক করে বলে স্থানীয়রা জানায়।

৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বৈকারি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার নজরুল ইসলাম জানান, সিরাজুল হত্যার পর তাৎক্ষণিকভাবে বিএসএফকে প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়।

ব্যাটালিয়নের অপারেশন কর্মকর্তা (অপস) মেজর হারুন অর রশিদ বলেন, “বিএসএফ বলছে, তারা সিরাজুলকে মারেনি। সীমান্তে ভারতীয় অধিবাসীদের মারপিটে তার মৃত্যু হয়েছে।”

তবে নিহতের বড় ভাই বৈকারি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ সদস্যরা তার ভাইকে আটকের পর নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে।

সিরাজুলের এক মেয়ে ও দুটি ছেলে রয়েছে। ভাইয়ের মৃতদেহ ফেরত পেতে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন সাইফুল।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এএইচ/এমআই/২২০৫ ঘ. 

http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=191162&cid=2

BSF kills Bangladeshi near Satkhira border


UNB, Satkhira

A Bangladeshi cattle trader was allegedly killed by Indian Border Security Force (BSF) on Kaijuri-Baikari border in Satkhira early Thursday.
The victim was identified as Sirajul Islam, 32, son of Syed Ali Sardar of Kaliani Chhoygharia village in Satkhira Sadar upazila.
According to Bangladesh Border Guard (BGB) sources, Sirajul with other cattle traders went to India to buy cattle on April 10.
BSF personnel of Kaijuri camp arrested the victim when the party was returning to Bangladesh, and chopped him to death at about 4:30am on Thursday leaving his body in a paddy field, they added.
BGB members sent a letter to BSF authorities protesting the incident and making a request to hold a flag meeting.
Later, two flag meetings were held between BGB and BSF authorities at zero point near Kaijuri border.
However, BSF denied the allegation and said they were not involved in the killing, said Maj Shamim-un Nabi Chowdhury, second-in-command of 38 BGB battalion.
BSF members said they only discovered the body in the paddy field.
Officials of both BGB and BSF agreed to resolve the dispute through discussions and by taking necessary measures.

Friday, 6 April 2012

বাংলাদেশি নির্যাতন: বিএসএফ ‘ক্ষমা চেয়েছে’


Fri, Apr 6th, 2012 8:35 pm BdST

সাতক্ষীরা, এপ্রিল ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ভারত থেকে আসার সময় পাসপোর্টধারী এক বাংলাদেশিকে নির্যাতন করার কারণে বিএসএফ ক্ষমা চেয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি ।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার সাতক্ষীরা সদরের ভোমরা সীমান্তে এক পতাকা বৈঠকে তারা বিজিবি’র কাছে ক্ষমা চায়। এছাড়া এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলেও জানান বিএসএফ কর্মকর্তারা।

বিজিবি’র ভোমরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার নজরুল ইসলাম বলেন, বেলা ১১টায় বৈঠকটি শুরু হয়ে চলে ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। আর্ন্তজাতিক মেইন পিলার ৩-এর কাছে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিজিবি’র কাছে ক্ষমা চেয়ে বিএসএফ’র প্রতিনিধি বলেছেন ভবিষ্যতে এমন ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।

তিনি বলেন, পতাকা বৈঠকে তিনি বিজিবি ৬ সদস্যের নেতৃত্ব দেন। ভারতের ৪৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ঘোজাডাঙ্গা ক্যাম্পের কমান্ডার এ সি শহীদ হোসেন বিএসএফ’র ৮ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব করেন।

বিজিবি জানায়, সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের গোপাল রায় (৪৫) গত ২৯ মার্চ পাসপোর্ট নিয়ে ভোমরা বন্দর হয়ে ভারত যান। বুধবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি দেশে ফিরছিলেন।

ওই সময় ভারতের কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন পার হয়ে ঘোজাডাঙ্গা বিএসএফ ক্যাম্পের সামনে এলে বিএসএফ সদস্যরা তার ব্যাগ তল্লাশি করে। এসময় এক বিএসএফ সদস্য তাকে মারধর করে মাটিতে ফেলে দেয়।
আরেক বিএসএফ সদস্য তাকে লাথি মারতে থাকে। পরে লাঠি দিয়ে মারধর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/ডিডি/২০৩০ ঘ.

http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=190572&cid=2

Thursday, 8 March 2012

গুলিতে আহত দুই বাংলাদেশিকে অপহরণ বিএসএফের


সাতক্ষীরা সংবাদদাতা:

সাতক্ষীরার কেড়াগাছী সীমান্তে গুলিবর্ষণের পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা গুলিবিদ্ধ দুই বাংলাদেশিকে অপহরণ করেছে। অপহূত দুই বাংলাদেশি হলেন— সাতক্ষীরার সদর উপজেলার হাওলখালী গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৬) ও একই গ্রামের আবদুল মাজেদের ছেলে রুহুল কুদ্দুস সরদার (৩৭)। তবে এ ঘটনার পর বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে একজনকে আটকের কথা স্বীকার করেছে বিএসএফ।

সীমান্তের একাধিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে ২০-৩৫ জনের একদল বাংলাদেশি রাখাল গরু আনতে ভারতে যায়। বুধবার ভোররাতে গরু নিয়ে ফেরার পথে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী সীমান্তের বিপরীতে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগর থানার খলিসা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে শরিফুল ও কুদ্দুস নামে দু’জন গুলিবিদ্ধ হন। পরে বিএসএফ সদস্যরা আহত অবস্থায় তাদের ধরে নিয়ে যায়।

কুশখালী বিওপির কমান্ডার সুবেদার সুলতান আহমদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় উভয় দেশের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে শুরু হয়ে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবির নেতৃত্ব দেন সাতক্ষীরা ৩৮ বর্ডার গার্ডের অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু বাছির। অন্যদিকে বিএসএফের নেতৃত্ব দেন ভারতের ১৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হারমিথ সিং। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষে জানানো হয়, তারা এক বাংলাদেশিকে আটক করেছে। আটক বাংলাদেশি রুহুল কুদ্দুসকে ভারতীয় চোরাচালান আইনে ও অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে স্বরূপনগর থানায় মামলা হয়েছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তার অনুপ্রবেশের ঘটনায় বিএসএফের দুঃখ প্রকাশ :
শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্ত দিয়ে গত রোববার বিএসএফের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের ঘটনায় বিএসএফ দুঃখ প্রকাশ করেছে। শেরপুর প্রতিনিধি জানান, গতকাল নালিতাবাড়ী নাকুগাঁও স্থলবন্দর সংলগ্ন নো-ম্যানস ল্যান্ডে বিজিবি-বিএসএফ উচ্চ পর্যায়ের এক পতাকা বৈঠকে বিএসএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে এবং ওই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সে ব্যাপারে তারা সতর্ক থাকবে। বেলা ১১টায় শুরু হয়ে প্রায় দু’ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ময়মনসিংহ বিজিবির ২৭ ব্যাটালিয়নের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন শিলং ফ্রন্টইয়ার (তুরা, আসাম ও শিলং-এই তিন সেক্টরের প্রধান) হেড কোয়ার্টারের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) সুদেশ কুমার। বৈঠকে ২৭ বিজিবির অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল হ্লা হাং ম্রং, লে. কর্নেল আবদুল খবির সরকার, কমান্ডার মেজর মো. খালেদ, মেজর খন্দকার আবু হুরাইয়া (জিএসও), মেজর নাজমুল হুদা ও স্টাফ অফিসার সাহেদ মেহের উপস্থিত ছিলেন।

বিএসএফের পক্ষে ছিলেন ডিআইজি রবি গান্ধী, তুরা সেক্টর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার (অব) ভিকো চান, কমান্ডিং অফিসার অমর কুমার এক্কা, স্টাফ অফিসার বিকাশ কুমার সিং ও অসেম ইউনো। বৈঠক শেষে সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. নজরুল ইসলাম জানান, উভয় দেশের মধ্যে খুবই ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষ থেকে সীমান্তে মানুষ হত্যা, চোরাচালান ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ রোধকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

http://www.shokalerkhabor.com/online/details_news.php?id=66803&&%20page_id=%2045

Thursday, 9 February 2012

বিএসএফের গুলিতে সাতক্ষীরায় দুই বাংলাদেশি আহত


সাতক্ষীরা, ফেব্রুয়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-

সীমান্তে গুলি একেবারে বন্ধ করা যাবে না- বিএসএফ প্রধানের এমন বক্তব্যের দুই দিনের মাথায় সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।

বর্ডার গার্ড ৩৮ ব্যাটেলিয়ন (বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু বাসির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ভোরে উপজেলার কাকডাঙ্গা সীমান্তের সোনাই নদীর পাড়ে গুলিবিদ্ধ হন ওই দুই বাংলাদেশি।”

আহতরা হলেন- ইয়াকুব আলী (২৫) এবং আবদুল হামিদ (৩০)। ইয়াকুব কলারোয়ার কেড়াগাছি গ্রামের দাউদ সরকারের ছেলে এবং হামিদ যশোরের শার্শা থানার কায়বা গ্রামের করিম সর্দারের ছেলে। তারা দুজনই রাখাল।

বিজিবির আবু বাসির জানান, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের তারালি ক্যাম্পের সদস্যরা পর পর চার রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এ সময় সীমান্তের সোনাই নদীর পাড়ে (মেইন পিলার ১৩, সাব পিলার ৩-এর রিভার পিলার ৪ এর কাছে) বসে থাকা দুইজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবির পক্ষ থেকে গুলির ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে সীমান্তের কালিয়ানি এলাকায় এ ব্যাপারে বিজিবি ও বিএএসএফের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও দীর্ঘ দিন ধরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীদের হাতে বাংলাদেশি হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারও আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানালে গত বছর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, সীমান্তে রক্তক্ষয় বন্ধে প্রাণঘাতী নয়-এমন অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে বিএসএফকে।

তবে বিএসএফ প্রধান ইউ কে বনসাল মঙ্গলবার বিবিসিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “গুলি চালানো পুরোপুরি বন্ধ করা কখনোই সম্ভব না। যতক্ষণ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অপরাধমূলক কাজ চলতে থাকবে, ততোক্ষণ বিএসএফকে তা আটকাতেই হবে। সেটাই এই বাহিনীর দায়িত্ব।”

এর একদিন পরেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক অনুষ্ঠানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, সীমান্তে বিএসএফ নিরীহ বাংলাদেশিদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ না করলে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে নালিশ করবেন তিনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/সিএস/জেকে/১৩০৬ ঘ. 

Tuesday, 7 June 2011

BSF returns bodies of 2 cattle traders, injures 2

Star National Desk

Two Bangladeshi cattle traders were seriously injured by Indian Border Security Force (BSF) yesterday while bodies of two others were handed over to members of Border Guard of Bangladesh (BGB) on Sunday and the day before.

BSF yesterday attacked two cattle traders with sharp weapons on Kaijuri border in India opposite to Baikari in Satkhira Sadar upazila, reports our correspondent.

The injured cattle traders are Md Abdur Razzak, 30, son of Md Nesar Ali and Md Baqui Billah, 25, son of Md Manirul Islam of village Kaliani Chhoygharia in Sadar upazila.

Abdur Razzak managed to return to Bangladesh territory and he is now undergoing treatment at a private clinic at Satkhira town.

Baqui Billah was rescued by Indian nationals and admitted to Basirhat hospital, according to a report from across the border.

Razzak said they went to India to buy cattle on June 4.

BSF men of Kaijuri camp in India caught them while they were returning to Bangladesh with cattle and hit them with sharp weapons. Later, the BSF men left them about 200 yards of the zero point on Kaijuri border, he said.

Meanwhile, body of another cattle trader, who was chopped to death by BSF on May 27 on Soladana border in Basirhat of India opposite to Padmashakhra border in Sadar upazila, was returned to BGB after a flag meeting on Sunday.

Victim Ruhul Amin, 28, was son of Ohab Ali of village Komorpur in Debhata upazila.

Quoting bordering villagers BGB said Ruhul Amin and others went to India to buy cattle on May 24.

BSF men of Soladana camp arrested the victim while he was returning to Bangladesh with cattle on river Ichchamati and chopped him to death on May 27, sources from across the border said.

BSF returned the body of another Bangladeshi cattle trader--Abdul Alim, 35, of Horinapota village under Sharsha upazila in Jessore on Saturday, reports our Benapole correspondent.

BSF returned the body five days after he was shot dead at Dhanyokhola border.

Liakat Hossain, 22 BGB commander of check post camp, said Alim was shot dead by BSF on Wednesday night while he was returning home through Indian border along with a group of cattle traders.

Later, the BSF men dragged Alim's body inside Indian territory.

Saturday, 28 May 2011

BSF kills 1

Unb, Satkhira

The body of a Bangladeshi cattle trader, allegedly stabbed to death by Indian Border Security Force, was seen floating in the bordering Ichhamoti river of Satkhira Sadar upazila yesterday.

The victim was identified as Ruhul Amin, 35, son of Abdul Wahab Ali of Komorpur village of Debhata upazila of the district.

Sources at 41 Battalion of BGB said BSF jawans of Soladana camp chased a group of Bangladeshi cattle traders when they were returning home from India along with their cattle at about 6:00am.

BSF forces caught Ruhul during the chase and stabbed him with rifle bayonet, leaving him dead.

The BSF jawans later dumped the body into Ichhamoti, sources said.

Local people found the body floating at Haraddah border at about 9:00am and informed the police.

The body could not be retrieved as it drifted towards the Indian water territory before the arrival of police, sources added.

Contacted, Shajahan Ali Khan, officer-in-charge of Sadar Police Station, confirmed the incident.

The body could not be recovered till filing of this report at 5:00pm yesterday.

Friday, 6 May 2011

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী আহত




নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ০৬-০৫-২০১১


ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে একজন বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোর চারটায় সাতক্ষীরার গাজীপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের কলাপোতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীর নাম শাহাদাত্ হোসেন (৩০)। তিনি সাতক্ষীরা জেলা সদরের ভাড়ুখালী গ্রামের করিম মোড়লের ছেলে।

সীমান্তের গ্রামবাসী জানায়, শাহাদাত্ হোসেনসহ ১৪-১৫ জন গরু ব্যবসায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার গাজীপুর সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে গরু আনতে যান। আজ ভোর চারটার দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার কলাপোতা সীমান্ত দিয়ে গরু নিয়ে আসার সময় গাজীপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের কলাপোতা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাঁদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে শাহাদাত্ হোসেনের ডান হাতে গুলি লাগে। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে চিকিত্সার জন্য খুলনার একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে।

সাতক্ষীরা বিজিবি ৪১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এনায়েত করিম ঘটনা নিশ্চিত করেন বলেন, ঘটনার প্রতিবাদ করে ও পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে বিএসএফের কলাপোতা ক্যাম্পে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

Monday, 18 April 2011

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত




নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ১৮-০৪-২০১১


ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছে। আজ সোমাবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে সাতক্ষীরার গাজীপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের কলাপোতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত একজনের নাম রেকাতুল ইসলাম (১৫)। সে কালীগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মুনছুর গাজীর ছেলে। নিহত অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি। আহত ব্যক্তিরা হলেন, কালীগঞ্জ উপজেলার মাঘুরালি গ্রামের পোটাল মিঞার ছেলে শাহাদাত্ হোসেন (২৪) এবং শ্যামনগর উপজেলার জাবাখালী গ্রামের ইমান আলী মোল্লার ছেলে আজিজুল ইসলাম (৪২)। আহতদের খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ও আহতেরা সবাই গরুর রাখাল বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রাখাল জানায়, রেকাতুল, শাহাদাত্, আজিজুলসহ তাদের ২৮ জনের একটি দল শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামের রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় গাজীপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে গরু আনতে যায়। আজ ভোর সাড়ে চারটার গরু নিয়ে আসার সময় গাজীপুর সীমান্তের বিপরীতে জিরো পয়েন্ট থেকে ভারতের ২০০ গজ ভেতরে বসিরহাট মহকুমার কলাপোতা গ্রামে হেলাতলা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রেকাতুলসহ দুজন নিহত হয়। রেকাতুলের লাশ বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারলেও অন্যজনের লাশ তারা নিয়ে আসতে পারেনি। শাহাদাত্ ও আজিজুল গুলিবিদ্ধ হয়ে জিরো পয়েন্ট পৌঁছালে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদেরকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ ফরিদউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত রেকাতুলের লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাতক্ষীরা ৪১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল এনায়েত করিম বলেন, ‘নীলডুমুর বিজিবি ব্যাটালিয়নের খাজিয়া সীমান্ত এলাকা একটি লাশ পাওয়া গেছে বলে শুনেছি। তবে বিএসএফের কাছ থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।’

Thursday, 11 November 2010

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা এবং লালমনিরহাট ও পাটগ্রাম প্রতিনিধি | তারিখ: ১১-১১-২০১০


লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্তের ওপারে গত মঙ্গলবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে।

এদিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গাজীপুর সীমান্তের ওপারে বিএসএফের গুলিতে আহত এক বাংলাদেশি মঙ্গলবার রাতে মারা গেছেন।

বুড়িমারী সীমান্তের ওপারে বিএসএফের গুলিতে নিহত মোতালেব হোসেনের (৩৮) বাড়ি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে।

Friday, 9 July 2010

BDR-BSF accord to check border crimes

Our Correspondent, Satkhira

Bangladesh Rifles (BDR) and Indian Border Security Force (BSF) yesterday agreed to contain cross border crimes and other related issues through talks.

Border guards of two neighbouring countries reached at an agreement at a battalion commander level meeting held at Taki Camp in India yesterday.

Matters relating to killing and kidnapping innocent Bangladeshi nationals, smuggling of arms, explosives and drugs, cross border trafficking of women and children, insurgency, other criminal activities and confidence building measures came up during discussion.

During meeting, BDR alleged that BSF men kill Bangladeshi cattle traders along border areas off and on instead of arrest.

However, BSF officials showed positive attitude in resolving disputes through talks by holding flag meeting, a BDR official said.

Officials of both the border guards of Bangladesh and India agreed to resolve major disputes through discussion and by taking necessary measures on time.

Commanding Officer Lt Col Iqbal Azim of BDR 41 Rifles Battalion at Satkhira and BSF 18 Battalion Commanding Officer Ananta Singh led their respective teams.

Tuesday, 6 July 2010

BSF injures cattle trader

Our Correspondent, Satkhira

Indian Border Security Force (BSF) opened fire on a group of Bangladeshi cattle traders leaving one of them seriously injured on Baikari border in Sadar upazila on Saturday. Abul Bashar, 30, son of Abul Khair of Godaghata in the district was rescued by other cattle traders and admitted to Satkhira Sadar Hospital in a critical condition. The BSF men of Joynagar camp fired 10 gunshots at the cattle traders at 4:00am, BDR sources said. BDR authorities sent a letter to BSF protesting the incident, said 41 Rifles Battalion operations officer Major Jahangir.

Monday, 28 June 2010

বিডিআর-বিএসএফ মতৈক্য

বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষীর (বিএসএফ) মধ্যে সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে গতকাল শনিবার সকালে পতাকা বৈঠক হয়েছে। সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তের ওপারে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বিএসএফ ক্যাম্পে এই বৈঠক হয়।

সাতক্ষীরা ৪১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের অপারেশন কর্মকর্তা মেজর জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে জানান, সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তের খাল খনন, সীমান্তের বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সীমান্তের ভারতের পাশে সড়ক নির্মাণ, মাদক ও মানব পাচার রোধ এবং অকারণে বাংলাদেশিদের ওপর গুলি বর্ষণ না করার বিষয়ে উভয় পক্ষ মতৈক্যে পৌঁছেছে।

Tuesday, 1 June 2010

শার্শা সীমান্তে ইছামতী খনন সাময়িক বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ৩১-০৫-২০১০

যশোরের শার্শা উপজেলা সীমান্তে ইছামতী নদীর খনন সাময়িক বন্ধ রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিডিআর-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

সাতক্ষীরার ৪১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের গোগা ক্যাম্পের সুবেদার মুজিবর রহমান জানান, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বিডিআরের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে শার্শা উপজেলার গোগা সীমান্তে একতরফাভাবে ইছামতী নদী খনন শুরু করে। এ ঘটনায় বিডিআর খননকাজে বাধা দেয়। পরে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে ভারতের পিপলি বিএসএফ ক্যাম্পে দুই দেশের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়।

Sunday, 4 April 2010

সাতক্ষীরায় পতাকা বৈঠক : আলোচনা ছাড়া সীমান্তে খাল খনন করবে না বিএসএফ



নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ০৪-০৪-২০১০


ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আশ্বাস দিয়েছে, আলোচনা ছাড়া দুই দেশের নো-ম্যান্স-ল্যান্ডে খাল খননসহ কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করবে না। আশ্বাস দিয়েছে, সীমান্তে গুলি করে হত্যা করবে না কোনো বাংলাদেশিকে। গতকাল শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বলদঘাটা জিরো পয়েন্টে বিডিআর ও বিএসএফের মধ্যে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে এ আশ্বাস দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরার ৪১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের বৈকারী ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার ওমর ফারুক জানান, গত শুক্রবার সকালে বৈকারী সীমান্তে কালিয়ানী নো-ম্যান্স-ল্যান্ডে বিএসএফের সদস্যরা খাল খনন করেন। বিডিআরের বাধার মুখে একপর্যায়ে তাঁরা খনন বন্ধ করতে বাধ্য হন। এর আগে শুক্রবার ভোরে বিএসএফের সদস্যরা সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের মো. সাইফুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করেন। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে বিডিআরের পক্ষ থেকে ভারতের ৯৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নে চিঠি পাঠানো হয়। এ চিঠিতে সাড়া দিয়ে গতকাল দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিডিআর ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়।

সোয়া এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে বিডিআরের পক্ষে সাতক্ষীরা ৪১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ইকবাল আজিমের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন উপ-অধিনায়ক মেজর শামিম রেজা, ক্যাপ্টেন মাহবুব আলী, সুবেদার আকবর ও নায়েব সুবেদার ওমর ফারুক। বিএসএফের পক্ষে ৯৪ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট আনন্দ সিংয়ের নেতৃত্বে ছিলেন কৈজুরী ক্যাম্পের পরিদর্শক এস কে শর্মা, গোবরদা ক্যাম্পের কমান্ডার করণী পাল।

বিডিআরের কর্মকর্তা ওমর ফারুক জানান, পতাকা বৈঠকে বিডিআরের পক্ষ থেকে কালিয়ানী নো-ম্যান্স-ল্যান্ডে জোর করে খাল খনন এবং কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়। বিএসএফ গুলি করে বাংলাদেশিকে হত্যার বিষয়টি অস্বীকার করে। তবে তারা আশ্বাস দেয়, ভবিষ্যতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটবে না। তারা জানায়, আলোচনা ছাড়া দুই দেশের নো-ম্যান্স-ল্যান্ডের মধ্যে খাল খননসহ কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করবে না।

বৈঠকে উভয় পক্ষ চোরাচালানি ও মাদক পাচার রোধে একসঙ্গে কাজ করা এবং সীমান্তে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার ব্যাপারে আলোচনা করে।

Saturday, 3 April 2010

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফের খাল খনন, পরে বন্ধ

বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা


নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ০৩-০৪-২০১০


ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা গতকাল শুক্রবার সকালে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে সাতক্ষীরার বৈকারী সীমান্তের নো-ম্যান্স-ল্যান্ডে খাল খনন করেন। একপর্যায়ে বিডিআর সদস্যদের বাধার মুখে খনন বন্ধ করতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

এর আগে একই সীমান্তে সদর উপজেলার বলদঘাটা গ্রামে গতকাল ভোরে সাইফুল্লাহ গাইন (৩০) নামের এক বাংলাদেশি গরু রাখালের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। স্থানীয় বিডিআর সদস্যরা জানান, ওপারে বশিরহাটের গোবরদা এলাকায় বিএসএফ সদস্যরা সাইফুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করেন। পরে বিএসএফ তাঁর লাশ বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে রেখে যায়।

নিহত সাইফুল্লাহ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের আবদুল সাত্তার গাইনের ছেলে।

জানতে চাইলে বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিজের দেশে বাংলাদেশিকে হত্যার পর বিএসএফ তাঁর (সাইফুল্লাহ) মৃতদেহ বাংলাদেশে ফেলে গেছে। এটা খুবই দুঃখজনক।’ তিনি বলেন, এ ব্যাপারে বিডিআরের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে বিএসএফকে জানানো হবে।

বৈকারী সীমান্তের গ্রামবাসী ও বিডিআর সূত্র জানায়, শতাধিক বিএসএফ সদস্য ও ভারতের দুই শতাধিক শ্রমিক সকাল সাড়ে আটটার দিকে সীমান্তের কালিয়ানী এলাকায় যায়। তারা মেইন পিলার ৮-এর সাব-পিলার ২৭-এর পাশের নো-ম্যান্স-ল্যান্ডে শুকিয়ে যাওয়া ডুরার খাল কাটা শুরু করে। বিষয়টি দেখে সদর উপজেলার বৈকারী ক্যাম্পের বিডিআর সদস্যরা বিএসএফের কাছে আপত্তি জানান। কিন্তু বিএসএফ সদস্যরা খাল থেকে মাটি কাটা অব্যাহত রাখেন। সকাল নয়টার দিকে বিডিআর সদস্যরা আলোচনার জন্য পতাকা বৈঠকের আহ্বান করে ভারতের বসিরহাট মহকুমার কৈজুরী বিএসএফ ক্যাম্পে বার্তা পাঠান। বিএসএফ সদস্যরা তাতেও সাড়া দেননি। এর আধঘণ্টা পর বিডিআর সদস্যদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্ক করে লাল পতাকা তোলা হয়। বিএসএফ সদস্যরা তখন মাটি কাটা বন্ধ করে ওই স্থানে অবস্থান নেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা মাটি কাটা শ্রমিকদের নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। পরে বিডিআর সদস্যরা লাল পতাকা নিয়ে ক্যাম্পে ফিরে আসেন। এ ঘটনায় সীমান্তের গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সাইফুল্লাহর লাশ উদ্ধার প্রসঙ্গে বৈকারী গ্রামের গ্রামপুলিশ মো. গয়েছউদ্দিন জানান, ভোর চারটার দিকে সীমান্তে একটি গুলির শব্দ শোনা যায়। এর আধঘণ্টা পর বলদঘাটা গ্রামের নছর আলী চৌকিদারের পুকুর পাড়ে সাইফুল্লাহর লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। গয়েছউদ্দিনের ধারণা, বিএসএফ সদস্যরা সাইফুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করলে তাঁর সঙ্গীরা লাশ ভারত থেকে বাংলাদেশে এনেছে।

সাইফুল্লাহর স্ত্রী রাশিদা খাতুন জানান, তাঁর স্বামী গত বুধবার গরু আনতে ভারতে যান।

সাতক্ষীরা ৪১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের বৈকারী ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার ওমর হোসেন দুটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিডিআর সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। সরকারি পর্যায়ে আলোচনা ছাড়া কোনো অবস্থায় বেআইনিভাবে খাল থেকে মাটি কাটতে দেওয়া হবে না।

বিডিআর কর্মকর্তা দাবি করেন, খাল কাটার জন্য বিডিআর সদস্যদের নজর অন্যদিকে রাখতে সাইফুল্লাহকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন বিএসএফ সদস্যরা।

সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুজ্জামান জানান, সাইফুল্লাহর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর পেটে গুলি লেগেছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তাঁর স্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।